আওয়ামী লীগের রাজনীতি জুলাই শহীদদের রক্তে চিরতরে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের মুখপাত্র আবু হানিফ।
তিনি বলেন, ‘‘শেখ হাসিনা ও তার ১৫ বছরের গুম খুনের বিচার এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার না হওয়া পর্যন্ত এই দেশের রাজনীতিতে ফিরতে পারবে না। আওয়ামী লীগের রাজনীতি চিরতরে নিষিদ্ধ হয়ে গেছে জুলাই শহীদদের রক্তে। সুতরাং তারা আর এই দেশে রাজনীতি করতে পারবে না।’’
বুধবার (৫ আগস্ট) বিকালে গণঅধিকার পরিষদ মহানগর উত্তরের গণকবর জিয়ারত ও দোয়া মোনাজাত শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
আবু হানিফ বলেন, ‘‘আজকে গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা গণঅভ্যুত্থান সফল করেছি তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। এখনও যারা চিকিৎসারত আছে তাদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।’’
তিনি বলেন, ‘‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান শুধু ৩৬ দিনে হয়নি, বিগত ১৫ বছর আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন জুলাই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয় এবং ছাত্র জনতার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে এই আন্দোলন সফল হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর হলেও এখনও জুলাই গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগের নেতাদের বিচারের তেমন অগ্রগতি হয়নি। আমরা চাই দ্রুত সময়ের মধ্যে নির্ভুলভাবে এই অপরাধীদের বিচার করা হোক।
তিনি আরও বলেন, ‘‘জুলাই নিয়ে যারা গত দুই বছর ব্যবসা করেছে, যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থান থেকে ছাত্র অধিকার পরিষদ ও গণঅধিকার পরিষদকে মাইনাস করেছে তারা আজকে ক্রেডিট নিয়ে আবারও লাফালাফি করছে। আজকেও দেখলাম রাষ্ট্রীয় প্রোগ্রামে হট্টগোল করেছে, এই হট্টগোলের মূল উদ্দেশ্য তারা ভাবছে এখন থেকে হয়তো তাদের জুলাই ব্যবসায় ভাটা পরবে, এই চিন্তা থেকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রামে তারা বিশৃঙ্খলা করেছে। এই দেশে যেমন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পরাজিত শক্তির বিচার হবে, তেমনি জুলাই ব্যবসায়ীদেরও বিচারের মুখোমুখি হতে হবে।’’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-স্বস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক রবিউল ইসলাম, মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি মিজানুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, সহ-সভাপতি আলমগীর অপূর্ব, সাংগঠনিক সম্পাদক সবুজ খান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরিফুর রহমান, মোহাম্মদপুর থানার সাধারণ সম্পাদক আতিকুল মিঠু, ছাত্র অধিকার পরিষদ মোহাম্মদপুর থানার সভাপতি জাফর প্রমুখ।