ইউল্যাবকে ভবিষ্যৎমুখী করে গড়ার প্রত্যয়ে ‘ফ্যাকাল্টি রিট্রিট ২০২৬’

ইউনিভার্সিটি অব লিবারেল আর্টস বাংলাদেশকে (ইউল্যাব) ভবিষ্যৎমুখী করে গড়ার প্রত্যয়ে ‘ফ্যাকাল্টি রিট্রিট ২০২৬’ আয়োজন করেছে কর্তৃপক্ষ। গত ২১ ও ২২ আগস্ট দুই দিনব্যাপী  সিসিইউএলবি রিসোর্টে আয়োজিত এই আয়োজনে বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা পর্যালোচনা, পারস্পরিক সম্পর্ক জোরদার ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন শিক্ষকরা।

অনুষ্ঠানে ইউল্যাবের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সভাপতি কাজী আনিস আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রতিষ্ঠাকালীন দর্শন ও মূল্যবোধ তুলে ধরেন। রিট্রিটে সাংস্কৃতিক সন্ধ্যার আয়োজন করা হয়। এতে শিক্ষকরা কবিতা, সংগীত, নাটক, আবৃত্তি ও সৃজনশীল পরিবেশনায় অংশ নেন। এছাড়া ভাইস চ্যান্সেলরস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড ও সম্মানসূচক স্বীকৃতির মাধ্যমে অংশগ্রহণকারীদের সম্মানিত করা হয়।

রিট্রিটের অন্যতম প্রধান আলোচ্য ছিল সক্ষমতা উন্নয়নকে স্বাক্ষরধর্মী শিক্ষাদর্শন হিসেবে গ্রহণ করে ইউল্যাবকে একটি ভবিষ্যৎমুখী বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের কৌশল। দুই মাসের সম্মিলিত কাজের ভিত্তিতে বিভিন্ন সাবকমিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের শক্তি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে তাদের সুপারিশ উপস্থাপন করে। এসব সুপারিশ ইউল্যাবের খসড়া কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সহায়ক হবে।

ইউল্যাবের উপাচার্য অধ্যাপক সামসাদ মর্তূজা, পিএইচডি সম্মিলিত লক্ষ্য, সক্ষমতা উন্নয়ন, একাডেমিক উৎকর্ষ ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানে বোর্ড অব ট্রাস্টিজের বিশেষ উপদেষ্টা ও ট্রেজারার অধ্যাপক মিলন কুমার ভট্টাচার্য, পিএইচডি, রেজিস্ট্রার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. ফয়জুল ইসলাম (অব.), ডিন, বিভাগীয় প্রধান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

রিট্রিটে মানবসম্পদ ও একাডেমিক নীতিমালা সংস্কার, গবেষণা পুরস্কার, আন্তর্জাতিকীকরণ, নতুন ইউল্যাব ওয়েবসাইট, ভিআর ক্যাম্পাস ম্যাপিং এবং এআই-ভিত্তিক এডুসাইট ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানান, এই রিট্রিট ইউল্যাবের ভবিষ্যৎ নিয়ে সম্মিলিত আশাবাদকে আরও শক্তিশালী করেছে। একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি হিসেবে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মীদের মেধা, সৃজনশীলতা ও আন্তরিকতাকে পুনর্ব্যক্ত করেছে।