বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ বিতরণে ওয়ালটনের দ্রুত উদ্যোগ

বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) একদিন পরই বিনিয়োগকারীদের ব্যাংক হিসাবে নগদ লভ্যাংশের অর্থ পাঠিয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি। ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের জন্য কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা ১৮০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ অনুমোদন করেছেন।

কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কোম্পানি সচিব মো. রফিকুল ইসলাম জানান, গত বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজের ২০তম এজিএম অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ শেয়ারহোল্ডার অংশ নেন। তারা সর্বসম্মতিক্রমে পরিচালনা পর্ষদের প্রস্তাবিত লভ্যাংশ অনুমোদন করেন। এর পরদিনই বিনিয়োগকারীদের সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে নগদ লভ্যাংশের অর্থ পাঠানো হয়।

কোম্পানি সচিবের ভাষ্য, প্রযুক্তিগত উৎকর্ষ, প্রাতিষ্ঠানিক কর্মদক্ষতা, পরিচালনগত গতিশীলতা ও শক্তিশালী তারল্য অবস্থানের কারণে অল্প সময়ে লভ্যাংশ বিতরণ সম্ভব হয়েছে।

কোম্পানির তথ্য অনুযায়ী, ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের প্রতিটি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে বিনিয়োগকারীরা ১৮ টাকা নগদ লভ্যাংশ পেয়েছেন। পাশাপাশি প্রতি ১০টি সাধারণ শেয়ারের বিপরীতে একটি করে বোনাস শেয়ার পাবেন তারা।

কোম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদিত নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে ওয়ালটনের মুনাফা হয়েছে ১ হাজার ১২৪ কোটি ৫৭ লাখ ৮ হাজার ৪৯৪ টাকা। আগের হিসাব বছরে এ মুনাফার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৩৬ কোটি ৬১ লাখ ৬০ হাজার ৩৬৩ টাকা।

আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৩ টাকা ৭৫ পয়সা, যা আগের হিসাব বছরে ছিল ৩১ টাকা ১১ পয়সা।

পুনর্মূল্যায়নসহ ওয়ালটনের মোট নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ হাজার ৭০৪ কোটি টাকা। পুনর্মূল্যায়নসহ শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য হয়েছে ৩৮১ টাকা ২৬ পয়সা এবং পুনর্মূল্যায়ন ছাড়া তা ২৮০ টাকা ২৪ পয়সা।

কোম্পানির অনুমোদিত ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ চলমান গ্রিন এনার্জি সক্ষমতা সম্প্রসারণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং অন্যান্য আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণমূলক (বিএমআরই) কার্যক্রমে ব্যয় করা হবে। এ লভ্যাংশ সম্পূর্ণভাবে সংরক্ষিত মুনাফা (রিটেইনড আর্নিংস) থেকে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কোম্পানি।