এমন প্রতিজ্ঞার পক্ষে রায় দেয় বাছাইয়ে তাদের দুর্দান্ত ফল। সবার আগে রাশিয়া বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে ব্রাজিল। নিজেদের উন্নতির কথা জানিয়ে ব্রাজিল তারকা ডিফেন্ডার বলেছেন, ‘বিশ্বকাপের জন্যে আমরা প্রস্তুত। প্রথমে দুঙ্গার অধীনে এখন তিতের অধীরে। এভাবে দুই বছরে আমরা উন্নতি করেছি।’
ব্রাজিল ঘরের মাঠে যা করতে পারেনি এবার সেই অসাধ্য সাধন করতে মুখিয়ে আছে রাশিয়ায়। এবারের আসরে নতুন করে ইতিহাস লিখতে চায় নেইমার-সিলভারা। তার মতে, ‘আরেকটি বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ আমাদের সামনে। একই সঙ্গে ইতিহাস নতুন করে লেখার সুযোগ। শিরোপা জেতার নিশ্চয়তা দিতে পারছি না, তবে অসাধারণ ম্যাচ উপহার দেওয়ার নিশ্চয়তা দিতে পারি।’
সিলভা আরও যোগ করে বলেন, ‘আপনারা দেখবেন আমরা পরের ম্যাচ কীভাবে খেলবো। একই সঙ্গে আপনারা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিশ্বকাপে দারুণ সব ম্যাচ দেখতে পাবেন।’
মানুষ ব্রাজিলকে সবচেয়ে বেশি মনে রেখেছে ১৯৭০ সালের দর্শনীয় ফুটবল দেখে। সেই সময়কার ফুটবল শৈলী এখনও মনে করা হয় অনন্য! বর্তমান প্রজন্মের তারকা সিলভা অবশ্য সেই প্রজন্মের সঙ্গে তুলনায় যেতে চাইলেন না, ‘আমি মনে করি প্রতিটি প্রজন্মেরই আলাদা ইতিহাস, স্টাইল ও শিরোপা আছে। জানি আমরা ব্যতিক্রম, তাই কোনও ধরনের তুলনায় যেতে চাই না।’