২৪ বছর পার হয়ে গেছে সুইডেনের। বিশ্বকাপ নকআউটে জয়টা অধরাই থেকে গেছে। অপরদিকে সুইজারল্যান্ড ১৯৫৪ সালের পর গোলের দেখা পায়নি এই পর্বে। এমন বৈপরীত্য নিয়ে শেষ ষোলোতে সোমবার রাত ৮টায় মাঠে নামবে সুইডেন ও সুইজারল্যান্ড। ম্যাচটি দেখাবে বিটিভি, নাগরিক টিভি ও মাছরাঙা।
বড় কোনও টুর্নামেন্টে সেভাবে দেখা হয়নি দুই দলের। অচেনা প্রতিপক্ষ তাও বলা যাবে না। সবশেষ ২০০২ সালে প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। তাতে ড্রই ছিল ফল। সুইডেন অবশ্য তিন মুখোমুখি লড়াইয়ে অপরাজেয়। জয় একটিতে আর ড্র দুটিতে।
র্যাংকিংয়ে এগিয়ে থেকেই সুইজারল্যান্ড মুখোমুখি হবে সুইডেনের। সুইডেন র্যাংকিংয়ে রয়েছে ২৪তম স্থানে। তবে আত্মবিশ্বাসে টগবগে সুইডিশরা। গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোকে ৩-০ গোলে বিধ্বস্ত করে এসেছে। বাছাইতেও তাদের রয়েছে রূপকথার গল্প। ইতালি-নেদারল্যান্ডসের বিশ্বকাপ স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়ে বিশ্বকাপের টিকিট কেটেছে তারা। তাই বেশ সতর্ক সুইজারল্যান্ড কোচ ভ্লাদিমির পেতকোভিচ। সুইডেন বাধা পার হতে খাটো করে দেখছেন না তাদের, ‘এই মুহূর্তে কোনও দুর্বল দল নেই। যারা এখন কাউকে খাটো করে দেখবে তারাই পড়বে বিপদে।’
সুইডেন কোচ ইয়ানে আন্দেরসন প্রতিপক্ষ নিয়ে সতর্ক হলেও ম্যাচে জয় পেতে সেরাটা উজাড় করে দিতে চান, ‘এই মুহূর্তে আমরা পুরোপুরি ফোকাসড। নিজেদের পারফরম্যান্স নিয়ে শীর্ষে থাকতে চাই। যদি সেই পর্যায়ে পৌঁছাতে পারি তাহলে সুইজারল্যান্ডকে হারাতে পারবো। আমাদের সেই পর্যায়েই পৌঁছাতে হবে।’
হারানোর কথা বললেও সুইডেন পিছিয়ে আছে র্যাংকিংয়ে। সংবাদ সম্মেলনে এমন প্রশ্ন আসতেই সুইডেন কোচের ঠাট্টা, ‘র্যাংকিংটা আগের পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভর করে করা। আমি চাইলে এখন প্রতিটি দলের র্যাংকিং করতে পারি।’
আগের দুই ম্যাচে খেলা একাদশ নিয়েই মাঠে নামবে সুইডেন। তবে একটি পরিবর্তন আনতেই হচ্ছে তাদের। মিডফিল্ডার সেবাস্তিয়ান লারসন নিষিদ্ধ রয়েছেন। তার জায়গায় খেলবেন অস্কার হিলিয়েমার্ক অথবা গুস্তাভ সভেনসন।
সুইজারল্যান্ডও রয়েছে নিষেধাজ্ঞার খড়গে। ফাবিয়ান শিয়ার অথবা অধিনায়ক স্টেফান লিচস্টাইনার দুজনেই রয়েছেন এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায়। তাই মাইকেল ল্যাংকে দেখা যাবে ডেপুটি হিসেবে।