এক সাক্ষাৎকারে আত্মবিশ্বাসী এই কোচ বললেন, ‘এ নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে এই দলটার ভয়ডরহীন থেকেই খেলতে হবে। যদি ভয়ের কাছে কাবু হয়ে ম্যাচটি খেলতে যাই, তাহলে আমরা নিজেদের ছোট করে ফেলবো।’
ভয়ের কাছে কাবু হওয়া মানে পা হড়কে পরে যাওয়া। তাই মানসিকভাবে শক্ত থাকাকেই শ্রেয় মনে করছেন বেলজিয়াম কোচ, ‘ভয় ছাড়া খেলতে পারলেই সেটা আমাদের সহায়তা করবে।’
গত বিশ্বকাপেও এই দলটাকে বলা হচ্ছিল ডার্ক হর্স। দীর্ঘদিন ধরে এক সঙ্গে খেলতে থাকা দলটির প্রতি তাই প্রত্যাশা অনেক। সেই দলটার দলীয় পারফরম্যান্সের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন মার্তিনেস, ‘এখানে কিন্তু দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দিনেই আপনাকে পুরো দল হয়ে খেলতে হবে। আমার মনে হয় চ্যাম্পিয়ন হতে হলে দলীয় নৈপুণ্য প্রয়োজন। তারপর সবার স্বার্থকে এক সঙ্গে মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়া সম্ভব।’
এই দলটির প্রতিটি পজিশনে আছে তারকা সমৃদ্ধ খেলোয়াড়। অনেক অভিজ্ঞ এই দল। তাই বেলজিয়ামের এই দলটির খেলোয়াড়দের বলা হচ্ছে সোনালী প্রজন্ম। সেই সোনালী প্রজন্ম কতটুকু কার্যসিদ্ধি করতে পারবে এমন প্রশ্নে কোচের জবাব, ‘সবাইকে বুঝতে হবে বেলজিয়াম এমন একটি দেশ যার জনসংখ্যা ১.১ কোটি। সেখান থেকে বর্তমান প্রজন্মের ফুটবলারদের জন্ম কোনও দু্র্ঘটনা নয়। বেলজিয়ামের ফুটবল অবকাঠামোর এটাই পরিষ্কার চিত্র। বেলজিয়াম তাদের তরুণ প্রতিভার বিকাশে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। ইতোমধ্যে এই বিশ্বকাপটা আমাদের মঞ্চ। যেটা অর্জন করা সম্ভব এই নতুন প্রজন্মের মাধ্যমে।’
প্রথম সেমিফাইনাল হবে কাল মঙ্গলবার। সেন্ট পিটার্স বার্গে রাত ১২টায় মুখোমুখি হবে ফ্রান্স ও বেলজিয়াম।