মুখোমুখি লড়াই
১. দুটি বিশ্বকাপের মুখোমুখি লড়াইয়ে জিতেছে ফ্রান্স। ১৯৩৮ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে ফ্রান্স তাদের হারায় ৩-১ গোলে। ১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণীতে এক্সট্রা টাইমের খেলায় ফ্রান্স জয় পায় ৪-২ গোলে।
২. ১৯৮৪ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্বে আরও বড় ব্যবধানে জিতেছে ফ্রান্স। বেলজিয়ামকে হারায় তারা ৫-০ গোলে। তাতে হ্যাটট্রিক করেন ফরাসি কিংবদন্তি মিশেল প্লাতিনি।
৩. সব শেষ তিনটি প্রীতি ম্যাচে অপরাজেয় আছে বেলজিয়াম। জয় একটি আর বাকি দুটিতে ড্র। ২০১৫ সালের জুন তারা ফ্রান্সকে হারায় ৪-৩ গোলে। ফেলাইনি ম্যাচটিতে গোল করেন দুটি।
৪. ৭৪ তম ম্যাচে মুখোমুখি দুই দল। বেলজিয়ামের জয় ৩০টিতে, বিপরীতে ফ্রান্সের জয় ২৪টি আর ড্র ১৯টি।
এক নজরে ফ্রান্সের পরিসংখ্যান
১. এ নিয়ে ষষ্ঠ সেমিফাইনালে ফ্রান্স। প্রথম তিন সেমিফাইনালেই তারা হেরেছে (১৯৫৮, ১৯৮২ ও ১৯৮৬)। তবে শেষ দুটি সেমিতে তারা জিতেছে (১৯৯৮ ও ২০০৬)।
২. বিশ্বকাপে শুট আউট ছাড়া ফ্রান্স নক আউটে ১৩টির মাঝে হেরেছে ১টিতে। গত বিশ্বকাপে জার্মানির কাছে তারা হেরেছে ১-০ গোলে।
৩. ৬ নক আউট ম্যাচে গ্রিয়েজমান গোল করেছেন ৭টি (বিশ্বকাপ ও ইউরো মিলিয়ে)।
এক নজরে বেলজিয়াম
১. ১৯৮৬ বিশ্বকাপে সব শেষ সেমিফাইনাল খেলেছে বেলজিয়াম। আর্জেন্টিনার কাছেই তারা হেরেছে ২-০ গোলে। দুটি গোলই করেন ম্যারাডোনা। অপর দিকে গত বিশ্বকাপে এই আর্জেন্টিনার কাছে ১-০ গোলে হেরেই কোয়ার্টার থেকে বিদায় নিয়েছিল বেলজিয়াম।
২. বিশ্বকাপে না পারলেও দুবার ইউরো ফাইনালে পৌঁছেছিল বেলজিয়াম। একবার ১৯৭২ সালে আরেকবার ১৯৮০ সালে। ১৯৭২ সালে তারা হেরে যায় ২-১ গোলে। আবার ১৯৮০ সালেও তারা হেরেছে পশ্চিম জার্মানির কাছে।
৩. শেষ ২৪টি খেলায় অপরাজিত বেলজিয়াম। জয় ১৯টিতে আর ড্র ৫টি। আবার শেষ সাত ম্যাচে জয় রয়েছে বেলজিয়ামের।
৪. শেষ ১৩ খেলায় ২০ গোলেই যুক্ত ছিলেন লুকাকু। গোল করেছেন ১৭টি আর বানিয়েছেন ৩টি।