লড়াইটা এখন সানডে-কোলিন্দ্রেসেরও

সানডে ও কোলিন্দ্রেসদুজনই চার গোল করে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ গোলদাতা। ফেডারেশন কাপের ফাইনালে গোল ব্যবধান বাড়িয়ে এককভাবে শীর্ষ গোলদাতা হওয়ার সুযোগ আছে। আবাহনীর সানডে চিজোবা কিংবা বসুন্ধরা কিংসের রাশিয়া বিশ্বকাপে খেলা কোস্টারিকান তারকা দানিয়েল কোলিন্দ্রেসের কেউ নিশ্চয়ই এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইবেন না! তাই শুক্রবার বিকালের ফাইনালে এই দুই ফরোয়ার্ডের দিকে সমর্থকদের থাকছে আলাদা দৃষ্টি।

ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বে অবশ্য জ্বলে উঠতে পারেননি নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড সানডে। নক আউট পর্ব থেকে নিজেকে চিনিয়ে যাচ্ছেন। কোয়ার্টার ফাইনালে আরামবাগের বিপক্ষে জয়েও তার অবদান। এছাড়া সেমিফাইনালে শেখ জামালের বিপক্ষে আবাহনী জিতেছে সানডের হ্যাটট্রিকেই।

দুজনের তুলনা করতে গিয়ে আবাহনীর কোচ জাকারিয়া বাবু অবশ্য সানডেকেই এগিয়ে রাখছেন। তিনি অবশ্য তুলনার মানদণ্ডে বিশ্বাসী নন, ‘আমি সানডেকে এগিয়ে রাখছি। আমি মনে করি সানডে তার স্বাভাবিক খেলায় ফিরে এসেছে। শেষ দুই ম্যাচে সে গোল পেয়েছে। আমি কাউকে হুমকি মনে করি না। তারা এগারজন খেলবে আমারও সমান খেলোয়াড় খেলবে। জার্সি পরলে সবাই এক, কে বিশ্বকাপ খেললো আর খেললো না তা বড় কথা নয়। আমি আলাদাভাবে কাউকে ভয় পাই না।’

দানিয়েল কোলিন্দ্রেস অবশ্য শুরু থেকে নিজেকে চেনাচ্ছেন। কোন সময় গোল করে কিংবা গোলের পিছনে ভূমিকা রেখে। বিজেএমসির বিপক্ষে হ্যাটট্রিক পাওয়া এই ফরোয়ার্ড নিঃসন্দেহে বেশ ভালো ফর্মে আছেন। বসুন্ধরা কিংসের অধিনায়ক তৌহিদুল আলম সবুজ অবশ্য নিজ দলের প্রাণভোমরা কোলিন্দ্রেসকে এগিয়ে রাখার পক্ষে যুক্তি দেখালেন, ‘আমি কোলিন্দ্রেসকে এগিয়ে রাখবো। কোলিন্দ্রেস গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। সে গোল বানিয়ে দিতে পারে। এজন্যই আমি তাকে এগিয়ে রাখবো।’ তবে সানডেকেও খাটো করে দেখছেন না সেমিফাইনাল জয়ের এই নায়ক, ‘সানডেও ভালো খেলোয়াড়। গোল করার দিক দিয়ে আবার সানডে ভালো কারিগর।’