অনুশীলনে যোগ দিতে পেরে উচ্ছ্বসিত তপু বর্মণ

তপু বর্মণ। শুরু থেকে জাতীয় দলের অনুশীলনে ছিলেন না বসুন্ধরা কিংসের খেলোয়াড়রা। তারা ক্যাম্পে যোগ দিয়েছেন গতকাল। বুধবার সকালে অন্যদের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন তপু বর্মণ-সুফিলরা। নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তারা যে খুব সিরিয়াস, তা দেখেই বোঝা গেছে। প্রথম দিন সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন করে একই উপলব্ধি হয়েছে ডিফেন্ডার তপু বর্মণেরও।

কমলাপুর বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোস্তফা কামাল স্টেডিয়ামে এদিন তারা আগের মতোই ঘাম ঝরিয়েছে। ছিলেন না শুধু ফিনল্যান্ড প্রবাসী কাজী তারিক রায়হান। কোয়ারেন্টিনের জন্য এই ডিফেন্ডার হোটেলেই ছিলেন। তবে বসুন্ধরার খেলোয়াড়দের নতুন করে ফিটনেস পরীক্ষা দিতে হয়েছে এদিন। আগে থেকে ক্লাবে অনুশীলন করায় তাদের ফিটনেসের অবস্থা খারাপ নয়। তাই অনুশীলনে প্রথম দিন যোগ দিতে পেরেই উচ্ছ্বসিত দেখা গেলো তপু বর্মণকে। সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় কথা হলো সাত মাস পর খেলার মধ্যে ফিরতে যাচ্ছি। কোভিডের কারণে ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক খেলা বাতিল ছিল। তাই অনেক দিন পর ফিরছি, ভালো লাগছে। সবাইকে সিরিয়াসও মনে হয়েছে।’

বসুন্ধরার খেলোয়াড়রা আগে থেকে অনুশীলনে ছিলেন। তপু মনে করেন, এর ফলে বরং তাদের উপকারই হয়েছে। যা নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাদের এগিয়েই রাখবে, ‘ফিটনেস লেভেল দেখে যদি চিন্তা করি, তাহলে বলবো আমাদের এটা ধরে রাখতেই হবে। যারা বসুন্ধরায় ছিলাম, তারা ৮ সপ্তাহের অনুশীলন করেছি। ফলে এটা নেপালের বিপক্ষে খেলার আগে কাজে দেবে।’

নেপালের বিপক্ষ অতীত ফলাফল ভালো নয় বাংলাদেশের। এবার অবশ্য সতীর্থদের মতো জয়ের লক্ষ্যের কথা বলেছেন তপু বর্মণ, ‘অনেক দিন পর নিজেদের মাঠে খেলা। তিনটি পয়েন্টই নিতে চাই।’

বসুন্ধরার খেলোয়াড়রা কিছুদিন অনুশীলন করলেও সেটি পর্যাপ্ত নয়। সহকারী কোচ মাসুদ পারভেজ কায়সার তাই সবার ম্যাচ ফিটনেস নিয়ে কিছুটা শঙ্কিত, ‘ফুটবলে তো শুধু রানিং করলে হয় না।সবাই জানেন কিংসের খেলোয়াড়রা ট্রেনিং করলেও ম্যাচ খেলেনি। ম্যাচ ফিটনেস আলাদা বিষয়। সেটি আনতে হলে সময় লাগবে। হেড কোচ আসার পর আমরা নিজেদের মধ্যে ম্যাচ খেলতে পারি। ফিটনেস পরিপূর্ণ লেভেলে যেতে হলে সময় লাগবে। এখন খেলোয়াড়দের বিভিন্নভাবে দেখা হচ্ছে।’

আগামীকাল বৃহস্পতিবার ইংলিশ কোচ জেমি ডে ও অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার দেশে ফেরার কথা আছে।