কলিনদ্রেস-নোরাহ’র গোলে শেখ জামালকে হারালো আবাহনী

ম্যাচের বড় অংশ ‍জুড়েই আধিপত্য বিস্তার করেছিল আবাহনী লিমিটেড। প্রথমার্ধেই পিটার নোরাহ ও দানিয়েল কলিনদ্রেসের গোলে এগিয়ে যায় তারা। বিরতির পর শেখ জামাল এক গোল শোধ করে ম্যাচে ফেরার ইঙ্গিত দিলেও শেষ রক্ষা হয়নি। শেষ পর্যন্ত ২-১ গোলে জিতেই মাঠ ছেড়েছে আকাশি-নীল জার্সিধারীরা। এই জয়ের ফলে প্রিমিয়ার লিগের ছয়বারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানেই আছে।

গোপালগঞ্জের শেখ ফজলুল হক মনি স্টেডিয়ামে শনিবার (৪ ফেব্রুয়ারি) ম্যাচের প্রথমার্ধে ছিল আবাহনীর দাপট। ম্যাচ ঘড়ির ১০ মিনিটেই আবাহনী এগিয়ে যায়। মোহাম্মদ ইউসেফের ডান প্রান্তের ক্রসে পিটার নোরাহ দারুণ হেডে দলকে এগিয়ে নেন।

নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার পিটার নোরাহ প্রথম গোলের পাশাপাশি পরেরটিতেও রেখেছেন অবদান। ৩৪ মিনিটে তার পাসে বক্সের বাইরে থেকে কলিনদ্রেস ডান পায়ের নিচু শটে গোলকিপারকে পরাস্ত করেন।

৪০ মিনিটে কিংসলের হেড সাইড নেটে আঘাত না হানলে ব্যবধান বাড়ার সুযোগ ছিল। পরের মিনিটেই সুযোগ পায় শেখ জামাল। সোহানুর রহমান দুই ডিফেন্ডারের  মাঝে বল পেয়ে চিপ করলেও পোস্টের বাইরে দিয়ে গেলে হতাশ হয় টিম ম্যানেজমেন্ট।

ড্রেসিংরুম থেকে ফিরে শেখ জামালের আক্রমণে ভাটা পড়েনি। ৫৫ মিনিটে সতীর্থের ক্রসে সুলায়মান সিল্লাহর হেড ক্রসবারের ওপর দিয়ে যায়।

৬৪ মিনিটে ওতাবেকের দুই ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সের ভেতরে থেকে নেওয়া শট এক ডিফেন্ডার পা দিয়ে প্রতিহত করে গোল বাঁচান।

৫ মিনিট পর শেখ জামাল ব্যবধান কমায়। রেজাউল করিম বক্সে ঢোকার মূহুর্তে সোহানকে ফেলে দেন। রেফারি স্পট কিকের বাঁশি বাজালে কর্নেলিয়াস স্টুয়ার্ট জোরালো শটে গোলকিপার শহিদুল আলম সোহেলকে পরাস্ত করেন। শেষের দিকে চেষ্টা করেও কোনও দল আর লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি।

আবাহনী লিমিটেড ৮ ম্যাচে পঞ্চম জয়ে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে। সমান ম্যাচে শেখ জামাল ধানমন্ডি প্রথম হারে আগের ১২ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে অবস্থান করছে।

দিনের অন্য ম্যাচে শেখ রাসেল ১-০ গালে উত্তরা এফসিকে ও  বাংলাদেশ পুলিশ ২-০ গোলে রহমতগঞ্জকে হারায়।