নভেম্বরে ঢাকায় সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে সেপ্টেম্বরে ফিফা উইন্ডোতে নিজেদের ভালোভাবে ঝালিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। তবে প্রীতি ম্যাচে প্রতিপক্ষ কে হবে কিংবা কোথায় খেলা হতে পারে এ নিয়ে দোটনায় আছে বাফুফে।
সেপ্টেম্বরে কিরগিজস্তানে তিন কিংবা চার দল নিয়ে টুর্নামেন্ট হবে। সেখানে বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। লেবানন হলো তৃতীয় দল। আবার ঢাকায় তিন দল নিয়ে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে চায় বাংলাদেশ। মঙ্গোলিয়া সায় দিয়েছে তাতে। এখন কিরগিজস্তানে গিয়ে শক্ত প্রতিপক্ষ নাকি ঢাকায় অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী দলের বিপক্ষে একাধিক ম্যাচ খেলবে এ নিয়ে বাফুফে দোটনায় রয়েছে।
কিরগিজস্তানে অন্যদলগুলো র্যাংঙ্কিয়ে বাংলাদেশের ওপরে। লেবানন কিংবা স্বাগতিক দলের কাছে ম্যাচ হারলে তখন আত্মবিশ্বাস তলাতে নামতে পারে। আবার সমালোচনাও হতে পারে। ঢাকায় খেললে সেক্ষেত্রে ঝুঁকি কম। জয়ের সম্ভাবনা থাকবে। এতে করে সাফের আগে খেলোয়াড়রা উজ্জীবিত থাকবে। তাই বাফুফে ভাবছে সব নিয়ে ভাবছে।
তবে জাতীয় দলের জার্মান কোচ টমাস ডুলি চাইছেন কোনও ঝুঁকি না নিতে। তিনি এই মুহূর্তে বড় দলগুলোর বিপক্ষে খেলতে নারাজ। বাংলা ট্রিবিউনকে তিনি বলেছেন, ‘আমরা যদি কির্গিজস্তান টুর্নামেন্টে খেলি এবং লেবানন ও অন্য একটি দলের সাথে খেলে ৩টি ম্যাচেই হেরে যাই, তখন তোমরাই প্রথমে বলবে কীভাবে তারা এ ধরনের ম্যাচ খেলতে পারে। আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলছে ইত্যাদি... সবটাই আসলে সময়ের ব্যাপার। ভারত তো আর লেবানন নয়, আবার মালদ্বীপও কিরগিজস্তান নয়। আমাদের এমন দলগুলোর বিপক্ষেই খেলতে হবে যাদের আমরা প্রতিপক্ষ হিসেবে পেতে পারি! আর যাদের পাবো, তাদের মধ্যে থেকে যে দলটি আমাদের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত মনে হবে, আমরা তাকেই বেছে নেবো। তাই আবারও বলছি, অপশন হিসেবে আমাদের কাছে মাত্র ৭টি দল আছে।’
কোন ৭টি দল? উত্তরে ডুলি বলেছেন, ‘তুর্কেমেনিস্তান, কির্গিজস্তান, গুয়াম, ম্যাকাও, মালদ্বীপ, মঙ্গোলিয়া, চাইনিজ তাইপে—তারা সবাই খেলার জন্য তৈরি। কিন্তু কিছু দল আগ্রহ দেখিয়েছে, আর কিছু দল বলেছে না, এবার নয়। তাই আমরা অপেক্ষা করছি এবং আশা করছি, দ্রুতই একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে পারবো।’
বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার বলেছেন,‘মঙ্গোলিয়া ঢাকায় খেলতে চায়। আমরা বিষয়টি দেখছি। কিরগিজস্তানে গিয়ে খেললে ভালো হবে নাকি ঢাকায়। কয়েকদিনের মধ্যে বিষয়টি চূড়ান্ত হবে।’