পুলিশের হাতে আটক স্টোকস

বেন স্টোকসওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের চতুর্থ ওয়ানডে দলে থাকবেন না বেন স্টোকস। রবিবার স্বাগতিকদের তৃতীয় ওয়ানডে জয়ের পর ব্রিস্টলে এক ‘অপ্রীতিকর’ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট থাকায় তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ২৭ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে মারপিট করার অভিযোগে টেস্ট সহঅধিনায়ককে সারারাত কারাগারে আটক রাখা হয়। তবে তদন্ত সাপেক্ষে কোনও অভিযোগ ছাড়াই সকালে মুক্তি দেওয়া হয় স্টোকসকে।

অ্যাভন ও সমারসেট পুলিশ নিশ্চিত করেছে, শারীরিকভাবে এক ব্যক্তিকে আঘাত করার অভিযোগে ২৬ বছর বয়সী একজনকে আটক করা হয়েছে। এ অপরাধের সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে ৫ বছরের কারাদণ্ড। অবশ্য সবার আগে পুলিশ এনিয়ে তদন্ত করবে। ঘটনার সময় স্টোকসের সঙ্গে থাকলেও গ্রেফতার করা হয়নি অ্যালেক্স হেলসকে, তিনি স্বেচ্ছায় তদন্ত কাজে পুলিশকে সাহায্য করবেন। এজন্য দুজনই বুধবারের ম্যাচে খেলতে পারবেন না। মঙ্গলবার সকালে অনুশীলনেও দেখা যায়নি তাদের।

ব্রিস্টলের এমবার্গো নাইট ক্লাবে রবিবার দিবাগত রাত ২টা ৩৫ মিনিটে স্টোকসকে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যেতে হয়েছে।

ইংল্যান্ড এন্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ড স্টোকসের আটক হওয়া নিশ্চিত করেছে এক বিবৃতিতে, ‘সোমবার মধ্যরাতে ব্রিস্টলে এক ঘটনায় স্টোকসকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাকে সারারাত আটকে রাখা হয় এবং তদন্ত সাপেক্ষে কোনও অভিযোগ ছাড়াই তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। লন্ডনে দলের সঙ্গে যোগ দেবে না সে। স্টোকসের সঙ্গে ওই রাতে হেলসও ছিল। সেও সকালে অনুশীলন করেনি। পুলিশকে তদন্তের কাজে সহায়তা করতে ব্রিস্টলে ফিরে গেছে সে।’

অপ্রীতিকর ঘটনার ব্যাপারে বিস্তারিত জানাতে চায়নি ইসিবি। তবে সর্বশেষ খবর দিয়ে যাবে তারা।

ওয়ানডে অধিনায়ক এউইন মরগান স্বীকার করেছেন, এ ঘটনা তাদের মনোযোগে কিছুটা হলেও ব্যাঘাত ঘটিয়েছে। কিন্তু তারা সিরিজ জয়ের জন্য মরিয়া, ‘সবচেয়ে বড় ব্যাপার, সিরিজ জয়ের ম্যাচ এটা। আমার মনে হয় তাদের শূন্যতা পূরণ করার মতো শক্তিশালী দল আছে আমাদের। আশা করি এটা আমাদের খেলায় প্রভাব ফেলবে না।’

শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগ এবারই প্রথম নয় স্টোকসের বিরুদ্ধে। ২০১২ সালে মাঝরাতে তাকে গ্রেফতার করা হয় এবং পুলিশ তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দেয়। মাঝরাতে মদ্যপান করায় ২০১৩ সালে ইংল্যান্ড লায়ন্সের সফর থেকে তাকে দেশে ফেরত পাঠানো হয়। পরের বছর ড্রেসিংরুমের লকারে ঘুষি মেরে হাত ভেঙে বিশ্ব টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি স্টোকসের। টেলিগ্রাফ, বিবিসি, দ্য গার্ডিয়ান