কোয়ারেন্টিন ইস্যুতে বিসিবিকে যে প্রস্তাব দিলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ

বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজশ্রীলঙ্কায় দেওয়া কোয়ারেন্টিনের কঠিন শর্ত মানেনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিবিসি)। তাই স্থগিত হয়ে যায় সফরটি। তবে কোয়ারেন্টিন ইস্যুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে সমস্যা হবে না বিসিবির। ক্যারিবিয়ান বোর্ডের প্রতিনিধি দলের মন্তব্যে এমনই আভাস। করোনাকালে আন্তর্জাতিক সফরগুলো যেভাবে হচ্ছে, ঠিক সেভাবেই বাংলাদেশ সফর করবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ৭ দিনের কোয়ারেন্টিনে তিন দিন বাধ্যতামূলক হোটেলবন্দী ‍এবং বাকি চার দিন অনুশীলন।

গত শনিবার ঢাকায় এসেছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের পর্যবেক্ষক দলের দুই সদস্য ড. আকশাই মানসিং ও পল স্লোওয়ে। বৃহস্পতিবার দেশে ফিরে তারা রিপোর্ট জমা দেবেন। এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই সিদ্ধান্ত নেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ক্রিকেট বোর্ড।

বুধবার সংবাদমাধ্যমে নিজেদের অবস্থান জানানোর পাশাপাশি কোয়ারেন্টিন ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন তারা। কবে নাগাদ সফর হতে পারে, এমন প্রশ্নে কোয়ারেন্টিনের বিষয়টি সামনে আনলেন আকশাই, ‘তারিখ এখনও নির্দিষ্ট নয়। কারণ কোভিড প্রোটোকল অনুযায়ী, কমপক্ষে ৭ দিন কোয়ারেন্টিন করতে হবে। আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা যেন বাংলাদেশকে আক্রান্ত না করি। সুতরাং আমাদের নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা কোয়ারেন্টিনে থাকি।’

এই ৭ দিন কীভাবে কোয়ারেন্টিনে থাকবে, পর্যবেক্ষক দলের এই সদস্য সেটিও জানালেন, ‘প্রথম তিন দিনের জন্য আমরা ইন-রুম কোয়ারেন্টিনের পরামর্শ দেবো। প্রথম (করোনা) টেস্টটি হবে পৌঁছানোর পর। তিন দিনের পর আমরা আরেকবার টেস্ট করাবো। সেটিতে নেগেটিভ আসলে আমরা আমাদের স্কোয়াডের ভেতর প্র্যাকটিস করতে চাই। ৭ দিন পার হওয়ার আগে বাইরের কারও সামনে আসতে চাই না। আমরা বন্দী হয়ে অনুশীলন করবো ততদিন, ৭ দিনের পর আমরা বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিয়ে নেট সেশন করতে পারবো।’

তিনি আরও বলেছেন, ‘কেবল ৭ দিনের ব্যাপারই নয়। আমাদের তিনটি নেগেটিভ ফল আসতে হবে।  বাংলাদেশে আসার আগে একটি নেগেটিভ টেস্ট হতে হবে। সেজন্যই একদম নিশ্চিত তারিখ বলা যাচ্ছে না কবে থেকে সিরিজ শুরু হবে। সবকিছুই নির্ভর করবে পরিস্থিতির ওপর।’