রাসেলকে উড়িয়ে এনে সাফল্য পেলো কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স

প্লে-অফ আগেই নিশ্চিত ছিল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। তবে প্রথম কোয়ালিফায়ার খেলতে হলে ফরচুন বরিশালের বিপক্ষে জয়টা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এমন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগের দিন ওয়েস্ট ইন্ডিজ থেকে উড়িয়ে আনা হয় আন্দ্রে রাসেল ও সুনিল নারিনকে। শেষ দিকে চাপে পড়ে যাওয়া কুমিল্লাকে দুর্দান্ত জয় দেন মূলত এই রাসেলই। যদিও এখনও সেরা দুই নিশ্চিত হয়নি কুমিল্লার। রংপুরের বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি জিতলেই সেরা দুইয়ে থাকার সুযোগ হবে ইমরুল কায়েসের দলের।

ফরচুন বরিশালের দেওয়া ১২২ রানের লক্ষ্য কুমিল্লা ছুঁয়ে ফেলে ৫ উইকেট হাতে রেখে ৯ বল আগে। ১৬ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩০ রান তুলে কুমিল্লার শেষের নায়ক রাসেল হলেও প্রথম ইনিংসে জয়ের ভিত গড়ে দিয়েছিলেন মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ। তার ফাইফারেই মূলত বরিশালকে ১২১ রানে থামিয়ে দেওয়া গেছে। ফলে ৫ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা মুগ্ধই।

মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে ১২২ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কুমিল্লা ভুগেছে। রিজওয়ান (১১), জাকের (১০), ইমরুল (৫) ও মোসাদ্দেক (১) দ্রুত আউট হন। দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে লিটন ৩৬ রান করলেও বল খেলেছেন ৩৯টি। তাতে কুমিল্লার ওপর চাপ তৈরি হয়। সেই চাপ রাসেল একাই সামলে নেন। সাকিবের ১৮তম ওভারে দুটি ছক্কা মারেন চোখের পলকে। এরপর উইনিং শটটিও উড়ান ছক্কায়। এছাড়া ১৯ বলে ২৩ রান আসে খুশদিল শাহর ব্যাট থেকে।

এ জয়ে বরিশালকে পেছনে ফেলে কুমিল্লা শীর্ষ দুইয়ে উঠেছে। দুই দলেরই একটি করে ম্যাচ বাকি আছে। সেরা দুইয়ে থাকতে শেষ সুযোগ কোন দল কাজে লাগায় সেটিই দেখার।

এর আগে টস জিতে বরিশালকে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে কুমিল্লা তাদের আটকে রাখে ১২১ রানে। যা এবারের বিপিএলে তাদের সর্বনিম্ন রান। যা সম্ভব হয়েছে মুগ্ধর নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে। এই পেসার ২৩ রানে ফেরান সাকিব, মাহমুদউল্লাহ, জানাত, ওয়াসিম ও চতুরঙ্গর উইকেট। সাকিবের দলের ব্যর্থতার দিনে আলো ছড়িয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। প্রথমবার তিনে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়ে ২৬ বলে ৩৬ রান করেছেন ৩ চার ও ১ ছক্কায়। এছাড়া শেষ দিকে জানাতের ২৬ বলে ৩২ রানের সুবাদে শতরান পেরিয়ে যায় বরিশাল। সাকিবের ব্যাট হাসেনি। ৬ রানে ফেরেন ড্রেসিংরুমে।

মুগ্ধর নজরকাড়া বোলিংয়ের দিনে মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ১৯ রান খরচায় নেন এক উইকেট। এছাড়া রাসেল ও তানভীর ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।