চট্টগ্রাম আবাহনীকে উড়িয়ে সেমিফাইনালে মোহামেডান

আবাহনী লিমিটেড ও বসুন্ধরা কিংসের পর ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহামেডান স্পোর্টিং। তৃতীয় কোয়ার্টার ফাইনালে সাদা-কালো দলটি ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম আবাহনীকে। সেমিফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ জায়ান্ট বসুন্ধরা কিংস।

কুমিল্লার শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত স্টেডিয়াম দুই অর্ধে দুটি করে গোল পেয়েছে মোহামেডান। সুলেমানে দিয়াবাতে-সানডেরা প্রতিপক্ষের রক্ষণ তছনছ করে একের পর এক গোল আদায় করে নিয়েছেন। 

ম্যাচ ঘড়ির ২০ মিনিটে মোহামেডান প্রথম গোল করে এগিয়ে যায়। সতীর্থের ক্রসে এক ডিফেন্ডার হেড করলে বল অন্য প্রান্তে শাহরিয়ার ইমন পেয়ে যান। দ্রুত বল নিয়ে এই ফরোয়ার্ড কাটব্যাক করলে চলতি বলে ইমানুয়েল সানডে জোরালো শটে জাল কাঁপান। গোলকিপার পাপ্পু হোসেন ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়েও বলের নাগাল পাননি।

৩২ মিনিটে মোহামেডান ব্যবধান দ্বিগুণ করে। মুজাফফরভের কর্নারে চট্টগ্রাম আবাহনীর এক ফুটবলারের হেড ক্রস বারে লেগে জড়িয়ে যায় জালে। দুই গোলে এগিয়ে থেকে মোহামেডান ড্রেসিংরুম থেকে ঘুরে এসে আক্রমণ অব্যাহত রাখে।

৪৮ মিনিটে সতীর্থের লব থেকে ৬ গজ দূরত্বে দাঁড়িয়ে থাকা সুলেমানে দিয়াবাতে আলতো শটে গোল করে দলের ব্যবধান বাড়িয়ে নেন।

৫৪ মিনিটে শাহরিয়ার ইমনের ক্রসে ইমানুয়েল প্লেসিং করলেও তা ক্রস বারের ওপর দিয়ে যায়।

৭০ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে জায়গা করে নিয়ে সুলেমানে দিয়াবাতে ডান পায়ের জোরালো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে লক্ষ্যভেদ করেন। চার গোলে পিছিয়ে থেকে চট্টগ্রামের দলটি সান্ত্বনাসূচক একটি গোল পায়।

৭৭ মিনিটে পেনাল্টি থেকে ক্যান্ডি অগাস্টিন পানেনকা শটে এক গোল শোধ দেন। গোলকিপার মোহাম্মদ সুজন বলের লাইনে ঝাঁপালেও শেষ রক্ষা করতে পারেননি।

সেমিতে উঠে মোহামেডান দলের ম্যানেজার সাবেক তারকা ফুটবলার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘দল ভালো খেলে সেমিফাইনালে উঠেছে। আমাদের লক্ষ্য হলো শিরোপা জয় করা। আশা করছি আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারবো।’