পণ্ড হলো না পরাগের শ্রম, দিল্লিকে হারালো রাজস্থান

রিয়ান পরাগ অনেক পরিশ্রম করেছেন এমন এক ইনিংস খেলার জন্য। আইপিএল ক্যারিয়ারের সেরা ব্যাটিং করলেন রাজস্থান রয়্যালসের ব্যাটার। ডেভিড ওয়ার্নার যেভাবে আগ্রাসী হয়ে উঠেছিলেন, তার ঘাবড়ে যাওয়ার কথা। হয়তো পণ্ড হতো তার অসাধারণ ইনিংস। তবে বোলারদের নৈপুণ্যে তার অবদান সার্থক হলো। ১২ রানে জিতে রাজস্থানের দুইয়ে দুই। 

রাজস্থান প্রথম ১০ ওভারে করেছিল ৩ উইকেটে ৫৭ রান। পরের ১০ ওভারে করে ২ উইকেটে ১২৮ রান! যশস্বী জয়সওয়াল, জস বাটলার ও সাঞ্জু স্যামসন নতুন বলে ভুগেছেন। ইনিংসও বড় করতে পারেননি। রবিচন্দ্রন অশ্বিন পাঁচ নম্বরে উঠে ব্যাট করেন। বলার মতো অবদান রেখেছেন তিনি। 

১৯ বলের ইনিংসে ৩ ছক্কায় ২৯ রান করেন অশ্বিন। ধ্রুব জুরেলও ছোট হলেও পরাগের ওপর থেকে চাপ কমান। ১২ বলে ৩ চারে ২০ রান করেন তিনি। 

অন্য প্রান্তে পরাগ ৪৫ বলে ৭ চার ও ৬ ছয়ে ৮৪ রানে অপরাজিত ছিলেন। অথচ আগের ৭ ইনিংস মিলিয়ে তার রান ছিল ৭৫। সেই বাজে সময় কাটিয়ে ফেলার ইঙ্গিত দিলেন দিল্লির বিপক্ষে। তার ব্যাটেই ৫ উইকেটে ১৮৫ রানের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্কোর গড়েছিল রাজস্থান।

প্রথম ২৬ বলে মাত্র ২৬ রান করা পরাগ পরের ৫৮ রান করেছেন কেবল ১৯ বল খেলে। তার এই অবদান বৃথা যায়নি।

যদিও মিচেল মার্শ ও ডেভিড ওয়ার্নার দারুণ শুরু এনে দেন। চতুর্থ ওভারে মার্শকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন নান্দ্রে বার্গার। একই ওভারে রিকি ভুইকেও ফেরান তিনি।

ওয়ার্নার ও রিশাভ পান্ত প্রতিরোধ গড়লেও উইকেট মন্থর হয়ে পড়ে। ৬৭ রানের এই জুটি ভেঙে যায় ওয়ার্নারের বিদায়ে। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ৩৪ বলে ৪৯ রানে আবেশ খানের শিকার হন।

এরপর টানা দুই ওভারে পান্ত (২৮) ও অভিষেক পোরেলকে (৯) বিদায় করেন যুজবেন্দ্র চাহাল।

ট্রিস্টান স্টাবস ঝলক দেখালেও আবেশ ও সন্দীপ শর্মা ডেথ ওভারে দারুণ বোলিং করে দলকে স্বস্তিতে রেখেছিলেন। ২৩ বলে ৪৪ রানে অপরাজিত ছিলেন স্টাবস। শেষ পর্যন্ত ৫ উইকেটে ১৭৩ রানে থামে দিল্লি।