অস্ট্রেলিয়ার দীর্ঘদেহী পেসারদের বিপক্ষে বাড়তি বাউন্স সামলানোই ডারউইন টেস্টে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তবে প্রস্তুতি ম্যাচের ব্যর্থতা নিয়ে পড়ে থাকতে নারাজ টাইগার অধিনায়ক। ম্যাচ শুরুর একদিন আগে তিনি বলেছেন, প্রতিপক্ষের বাউন্সি কন্ডিশনের জন্য দল যথেষ্ট প্রস্তুতি নিয়েছে।
২০০৩ সালের পর এই প্রথম অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। গত দুই দশকে দল অনেকটাই উন্নতি করলেও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়ে যাওয়ায় উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
তবে ওই পারফরম্যান্স নিয়ে বেশি ভাবতে চান না শান্ত। তার মতে, ডারউইনে বেশ কিছুদিন অবস্থান করায় এখানকার কন্ডিশন সম্পর্কে দল যথেষ্ট ধারণা পেয়েছে। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেছেন, ‘বাউন্স সামলানোই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গত কয়েক মাস ধরে বাংলাদেশে বাউন্সি উইকেটে অনুশীলন করায় দল কিছুটা বাড়তি প্রস্তুতি নিতে পেরেছে।’
বাউন্স নিয়ে তিনি আরও বলেছেন, ‘অস্ট্রেলিয়ায় বাউন্স থাকবেই এবং টেস্টের ১০-১২ দিন আগে ডারউইনে পৌঁছানোয় সেই বাউন্স সম্পর্কে আরও ভালোভাবে ধারণা নেওয়ার সুযোগ হয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার বোলিং আক্রমণ বিশ্বমানের- এটা স্বীকার করলেও শান্ত মনে করছেন, দল যথেষ্ট ভালো প্রস্তুতি নিতে পেরেছে, ‘আগেও প্রস্তুতি ম্যাচে বাংলাদেশ খারাপ করেছে। এটি ছিল প্রস্তুতিরই অংশ। একটি খারাপ দিন যেতেই পারে। তবে আমার মনে হয় আমরা যথেষ্ট ভালোমতো প্রস্তুতি নিতে পেরেছি।’
শান্ত আরও বলেছেন, ‘আমরা আত্মবিশ্বাসী যে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারবো। ব্যাটিং ইউনিট হিসেবে সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ থাকলেও সেগুলো মোকাবিলায় দল নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে।’
বিশেষ করে নতুন বলের বিপক্ষে চ্যালেঞ্জ আরও কঠিন হবে বলে মনে করছেন তিনি। তার ভাষায়, ‘প্রত্যেক ব্যাটারকে নিজের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে হবে এবং রান করার চেষ্টা করতে হবে।’