২৩ বছর অপেক্ষার পর আবার অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নামছে বাংলাদেশ। সময় বদলেছে, বদলেছে দলও। ২০০৩ সালের সেই বাংলাদেশ আর নেই। এবার নতুন আত্মবিশ্বাস, নতুন প্রজন্ম আর নতুন স্বপ্ন নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে লড়াইয়ে নামছে টাইগাররা। প্রস্তুতি ম্যাচে ৫৪ রানে অলআউট হওয়ার ধাক্কা থাকলেও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর বিশ্বাস, আসল লড়াইয়ে দেখা যাবে অন্য এক বাংলাদেশকে।
বৃহস্পতিবার ডারউইনে শুরু হচ্ছে দুই টেস্টের সিরিজ। দুই দলের টেস্ট সিরিজে এটি হবে মাত্র চতুর্থ সাক্ষাৎ। ২০১৭ সালে মিরপুরে অস্ট্রেলিয়াকে ২০ রানে হারানোই এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের একমাত্র টেস্ট জয়ের সাফল্য।
ম্যাচের আগের সংবাদ সম্মেলনে শান্ত বলেছেন, ‘আমি নির্বাচকের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তিনি বলছিলেন, ২৩ বছর আগের সেই দলের সঙ্গে এই দল আর এক নয়। এই দলের ওপর তার বিশ্বাস আছে।’
প্রস্তুতি ম্যাচে বড় ব্যবধানে হারের বিষয়টিকেও খুব বেশি গুরুত্ব দিতে চান না শান্ত। সেই ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ৫৪ রানে অলআউট হয়েছিল বাংলাদেশ।
শান্ত বলেন, ‘এমন খারাপ একটা দিন আসতেই পারে। আমি বিশ্বাস করি, এই টেস্ট ম্যাচে এমন দিন আসবে না। ওই ম্যাচটা ছিল প্রস্তুতির অংশ। আগামীকাল থেকে আমার মনে হয় আসল লড়াই শুরু হবে। আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমরা সেই চ্যালেঞ্জটা কীভাবে গ্রহণ করি। সবাই এর জন্য প্রস্তুত।’
২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ায় ফেরাকে শান্ত দেখছেন খুব ভালো একটি সুযোগ হিসেবে। অপরিচিত কন্ডিশন এবং অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বমানের বোলিং আক্রমণের চ্যালেঞ্জ থাকলেও তিনি ইতিবাচক, ‘২৩ বছর পর আবার এখানে আসতে পারাটা আমাদের জন্য সৌভাগ্যের। আশা করি আমরা ভালো ক্রিকেট খেলবো। আমরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চাই।’
টেস্ট ম্যাচ কতদিন চলবে, সেটি নিয়ে আগেভাগে চিন্তা না করে পুরো পাঁচ দিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার দিকেই বাংলাদেশের মনোযোগ। শান্ত বলেছেন, ‘খেলোয়াড় হিসেবে আমরা সবসময় পাঁচ দিন ক্রিকেট খেলতে চাই। পাঁচ দিন ভালো ক্রিকেট খেলতে চাই এবং সেশন ধরে ধরে এগোতে চাই। ম্যাচ চার দিন, পাঁচ দিন কিংবা তিন দিনেই শেষ হোক। এসব আলোচনা সবসময়ই থাকবে। কিন্তু খেলোয়াড় হিসেবে আমাদের লক্ষ্য একটাই, আমরা যতটা ভালোভাবে সম্ভব খেলতে চাই।’








