২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলতে নেমেই দুর্দান্ত শুরু করেছে বাংলাদেশ। টসে হেরে বোলিংয়ে নেমেই প্রথম সেশনেই গুঁড়িয়ে দিয়েছে অজিদের টপ অর্ডার। লাঞ্চে যাওয়ার আগ পর্যন্ত বোলিং দেখে মনে হয়েছে কন্ডিশনটা বাংলাদেশেরই পরিচিত। টাইগারদের দাপুটে বোলিংয়ে মাত্র ২২ ওভারে ৪ উইকেট নেই অস্ট্রেলিয়ার। মারারা স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ভালোই ভোগাচ্ছে বাংলাদেশি বোলাররা।
অথচ শুরুটা দেখে মনে হচ্ছিল অস্ট্রেলিয়ার দিনটা অস্ট্রেলিয়ার হতে যাচ্ছে। ওপেনিংয়ে জুটিতে ভালোই খেলছিলেন ট্রাভিস হেড ও জেক ওয়েদারাল্ড। তবে ১২তম ওভারের চতুর্থ বলে হাসান মাহমুদকে ড্রাইভ খেলতে গিয়ে ভুল করেন ওয়েদারাল্ড। বল ব্যাটের কানা নিয়ে উইকেটকিপার লিটনের গ্লাভসে জমা পড়ে। আউট।
এই জুটি ছাড়া আর কোনও জুটি বড় হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ১৪তম ওভারে এসে আবার হাসান মাহমুদের আঘাত। সেই চতুর্থ বলটিই ভেতরে ঢুকে হেডের ব্যাটে লেগে স্ট্যাম্পের বেলস ফেলে দেয়। ২২ রানে ফিরলেন হেড।
ম্যাচের ১৯তম ওভারে ইবাদতের দ্বিতীয় বলটি লাবুশেন ছাড়লে কোনও ক্ষতি হতো না। অভ্যাসবশত খেলতে গিয়ে খোঁচা মেরে দ্বিতীয় স্লিপে শান্তকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন। ২০ বলে ১ রান করেছেন লাবুশেন।
২২তম ওভারের শেষ বলে তাসকিনকে অন সাইডে ওপরে খেলতে গিয়ে শর্ট মিড উইকেটে মুশফিকুর রহিমকে ক্যাচ দেন ক্যামেরন গ্রিন। ১৩ রানে ফিরলেন তিনি।
৪ উইকেট হারিয়েই প্রথম সেশন শেষ করে অস্ট্রেলিয়া। গ্রিনের আউটের মধ্য দিয়েই লাঞ্চে যায় দুই দল। লাঞ্চ শেষে অস্ট্রেলিয়ার ভরসা হয়ে টিকে থাকা স্টিভেন স্মিথের সঙ্গে যোগ দেন অ্যালেক্স ক্যারেই।
যদিও ইবাদতের করা ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তৃতীয় স্লিপে স্মিথের ক্যাচ নিতে পারেননি তানজিদ তামিম। তখন তার রান ছিল ২। বল ব্যাটে লেগে বেশ নিচু হয়ে এলেও ক্যাচটি নেওয়ার মতো ছিল।