এদিন খেলার পাঁচ মিনিটে এগিয়ে যায় রহমতগঞ্জ। বামপ্রান্ত থেকে ক্রসটি করেছিলেন গাম্বিয়ান ফরোয়ার্ড দাওদা সিসে, বক্সের ওপর থেকে হেড করেন মিডফিল্ডার সোহেল মিয়া। কোনাকুনি দৌড় আগেই শুরু করেছিলেন কঙ্গোলিজ ফরোয়ার্ড সিয়ো জুনপিয়ো। বক্সের মাঝামাঝি স্থান থেকে কাছের পোস্টে নিচু ভলিতে বল জড়িয়ে দেন জুনাপিয়ো। লিগে এটি তার চতুর্থ গোল।
তবে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি পুরান ঢাকার দলটির লিড। আট মিনিট পরেই সমতায় ফেরে আরামবাগ। ক্যামেরুনিয়ান মিডফিল্ডার ইয়োকা সামনিক ছিলেন আক্রমণের উৎস, তার থ্রু পাস আয়ত্ত্বে নিয়ে মিডফিল্ডার সাজিদুর রহমান সাজিদ ঢুকে পড়েন রহমতগঞ্জ ডিফেন্সে। একজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে জোরালো গ্রাউন্ডারে পরাস্ত করেন রহমতগঞ্জ গোলরক্ষক সাইফুল ইসলাম মাসুমকে। আর এই গোল পেয়েই উজ্জীবিত হয়ে ওঠে আরামবাগ। আক্রমণে ধার বাড়ায় তারা, আর ২১ মিনিটেই নিয়ে নেয় অগ্রগামিতা। মিডফিল্ডার আবদুল্লাহর কর্নারে হেড করে দলকে এগিয়ে দেন ডিফেন্ডার শরিফুল ইসলাম সজিব।
রহমতগঞ্জের লড়াকু মনোভাব প্রতিফলিত হয়ে ওঠে ৬৪ মিনিটে; তারা সমতায় ফেরে মিডফিল্ডার মেহবুব হোসেন নয়নের গোলে। দাওদা সিসে একক প্রচেষ্টায় বল নিয়ে প্রতিপক্ষ ডিফেন্স ভেদ করে ফরোয়ার্ড পাস দেন মেহবুব হাসান নয়নকে। প্লেসিং শটে তিনি যে গোলটি করেন তাই শেষ পর্যন্ত হয়ে দাঁড়ায় ম্যাচের ফাইনাল স্কোর লাইন।
পাঁচ খেলায় রহমতগঞ্জের পয়েন্ট নয়। আর লিগে এখনও অপরাজিত আছে দলটি। সমান ম্যাচে আরামবাগের সংগ্রহ ছয়।
/আরএম/এফআইআর/