সম্ভাবনাময় ফরোয়ার্ড মাহবুবুর রহমান সুফিল মালদ্বীপের বিপক্ষে একাদশে ছিলেন না। আগের ম্যাচে ব্যথা পাওয়ার কারণে কোচ তাকে নিয়ে ঝুঁকি নেননি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে অবশ্য সুফিল বদলি নামেন। তিনি নামার পর বাংলাদেশের আক্রমণ আরও বেড়ে যায়। শেষ পর্যন্ত তিনিই এনে দেন জয়।
গোল পেতে বাংলাদেশকে অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত। বেশ কয়েকটি সুযোগ তৈরি করেও লক্ষ্যভেদ করতে পারেনি তারা। তবে ৯২ মিনিটে বাংলাদেশ পায় একমাত্র গোল। মাঝমাঠ থেকে বল যায় বিপলুর কাছে, বিপলুর থেকে বল পেয়ে জাফর জোরালো শট নিলেও সেটা প্রতিপক্ষ গোলরক্ষক রুখে দেন। ফিরতি বলে টোকা দিয়ে সুফিল বাংলাদেশকে জয়ের বন্দরে নেন।
দুই ম্যাচে চার পয়েন্ট নিয়ে কক্ষপথে আছে লাল-সবুজরা। তবে ম্যাচ শেষে তার আক্ষেপের কথা বলেছেন বাংলাদেশ কোচ মাহবুব হোসেন, ‘সুফিল প্রথম ম্যাচে কিছুটা ব্যথা পেয়েছিল। তাই তাকে দ্বিতীয়ার্ধে নামানো হয়েছিল। একাধিক সুযোগ পেয়েছে সে। গোল এসেছে একটি। এছাড়া জাফর, স্বাধীন ও বিপলু অনেকগুলো সুযোগ পেয়ে গোল করতে পারেনি।’
অবশ্য মালদ্বীপের রক্ষণাত্মক মনোভাবের সমালোচনা করেছেন বাংলাদেশের কোচ, ‘আসলে আমাদের খেলোয়াড়রা সবাই মনে করেছিল ম্যাচটি সহজ হবে, কিন্তু ওরা (মালদ্বীপ) ১০ জনকে রক্ষণে খেলিয়েছে। এভাবে হলে ম্যাচ জেতা কঠিন।’
দলের খেলোয়াড়দের অতিমাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার সমালোচনা করেছেন মাহবুব। তার মতে, তাজিকিস্তানের বিপক্ষে ড্র করায় এই অতি আত্মবিশ্বাস পেয়ে বসে বাংলাদেশকে। তাই দুশানবেতে মাঠে নেমে সবার মধ্যে আগ্রাসী মনোভাব চলে আসে। কোচ বললেন সে কথাই, ‘আসলে আমার ছেলেরা অতি আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল। খেলার আগে জিতে গেছি, এমন একটা মনোভাব ছিল সবার মধ্যে। এসব কারণে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দুশ্চিন্তা কাজ করেছে।’
৬ নভেম্বর শক্তিশালী উজবেকিস্তানের বিপক্ষে তৃতীয় ম্যাচ খেলতে হবে বাংলাদেশকে। কোচ সাবধানী, তবে আশাবাদী, ‘মালদ্বীপের বিপক্ষে ম্যাচ খেলে প্রমাণ হয়েছে, আমরা ৯০ মিনিট পর্যন্ত খেলতে পারি। আমাদের এই দলটি ব্যতিক্রম। সাফেও প্রমাণ করেছি, এখানেও করলাম।’