মেক্সিকো বিশ্বকাপ আয়োজক হওয়ায় আপত্তি ম্যারাডোনার

ডিয়েগো ম্যারাডোনামরক্কোকে হটিয়ে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের যৌথ আয়োজক হওয়ার মর্যাদা পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। এমন সিদ্ধান্ত ঠিক পছন্দ হয়নি আর্জেন্টিনা লিজেন্ড ডিয়েগো ম্যারাডোনার। বিশেষ করে মেক্সিকোর আয়োজক হওয়া নিয়ে সবচেয়ে বেশি আপত্তি তার।

গত বুধবার ফিফা কংগ্রেসে ভোটাভুটির পর আয়োজক হওয়ার মর্যাদা পায় উত্তর আমেরিকার দেশ তিনটি। ৪৮ দলের অংশগ্রহণে এই টুর্নামেন্টের ৬০টি ম্যাচ হবে যুক্তরাষ্ট্রে, ১০টি করে হবে কানাডা ও মেক্সিকোতে।

এতে করে প্রথম দেশ হিসেবে তিনবার বিশ্বকাপ আয়োজন করতে যাচ্ছে মেক্সিকো। কিন্তু ম্যারাডোনা মনে করিয়ে দিলেন, বিশ্বকাপে দেশটির রেকর্ড যথেষ্ট ভালো নয়। টানা ছয়টি আসরে শেষ ষোলোতে বাদ পড়েছে তারা। ম্যারাডোনা বলেছেন, ‘আমার এটা পছন্দ হয়নি। মেক্সিকো আয়োজক হওয়ার যোগ্য নয়। ব্রাজিল কিংবা জার্মানির বিপক্ষে মেক্সিকানরা যখনই খেলে, তারা ছিটকে যায়।’

বিস্ময়কর ব্যাপার হলো যে মেক্সিকোর আয়োজক হওয়া নিয়ে ম্যারাডোনার আপত্তি, সেই মেক্সিকোতেই ১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন তিনি।

কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়েও আপত্তি ম্যারাডোনার। তার মতে ফুটবলের প্রতি তেমন আবেগ নেই এসব দেশের, ‘ফুটবলে তাদের প্রচণ্ড আবেগ নেই। কানাডিয়ানরা হয়তো স্কিতে ভালো।’ আর আমেরিকা কেবল আর্থিক লাভের কথা চিন্তা করে বলেছেন ম্যারাডোনা। ১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র তাদের টেলিভিশন বিজ্ঞাপনের জন্য ম্যাচকে চার ভাগ করার প্রস্তাব দিয়েছিল, সেটাই মনে করালেন ৫৭ বছর বয়সী এই সাবেক গ্রেট, ‘আর আমেরিকানরা তো বিজ্ঞাপণের জন্য ২৫ মিনিট করে চার ভাগ করতে চেয়েছিল।’

অবশ্য এখন পর্যন্ত বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ৩.৬ মিলিয়ন দর্শক সমাগম হয়েছিল ১৯৯৪ সালে এই যুক্তরাষ্ট্রেই।