শনিবার সারানস্কের মরদোভিয়া অ্যারেনায় ‘সি’ গ্রুপের দ্বিতীয় ম্যাচে ডেনমার্ক ১-০ গোলে হারিয়েছে পেরুকে। গোলমুখে ৬টি শট নিয়েও দেখা পায়নি পেরু আকাঙ্ক্ষিত গোলের। আর ডেনমার্ক লক্ষ্যে নেয় ৩টি শট।
ম্যাচের সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতির শিকার হয় পেরু বিরতির এক মিনিট আগে। ৪৪ মিনিটে ক্রিস্টিয়ান কুয়েভা ডেনমার্কের ডিবক্সে ইউসুফ পুলসেনের ফাউলের শিকার হন। পেনাল্টি পায় ১৯৮২ সালের পর বিশ্বকাপ খেলতে নামা পেরু। এই পেনাল্টি নিতে ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির (ভিএআর) সহায়তা নিতে হয়েছে। দলকে দারুণ শুরু এনে দেওয়ার দায়িত্ব নেন কুয়েভা নিজেই। কিন্তু তার পেনাল্টি শট গোলপোস্টের অনেক উপরে দিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে।
এমন ব্যর্থতায় বিরতির পর মাঠ ছাড়ার সময় চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি কুয়েভা। তবে তার হৃদয় আরও ভেঙে দেন ওই পেনাল্টিতে ভূমিকা রাখা পুলসেন। টটেনহ্যামের ক্রিস্টিয়ান এরিকসেন ৫৯তম মিনিটে বল পাঠান আরবি লিপজিগ তারকার কাছে। পুলসেন এবার নিজের প্রথম ভুলের দায় শোধ করেন দুর্দান্ত এক গোল করে।
মাদকের কারণে ১৪ মাস নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ফেরা পেরুর তারকা পাওলো গেরেরো বদলি নামে ৬২ মিনিটে। কিন্তু ম্যাচের ভাগ্য পাল্টাতে পারেননি।
ম্যাচের ৬ মিনিট বাকি থাকতে জেফারসন ফারফানকে চমৎকার কৌশলে রুখে দিয়ে পেরুকে ফিরতে দেননি ডেনিশ গোলরক্ষক ক্যাস্পার শুমেখেল।
পরের ম্যাচে শীর্ষে থাকা ফ্রান্সের মুখোমুখি হবে পেরু। আর ফরাসিদের সমান ৩ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে থাকা ডেনমার্ক লড়বে অস্ট্রেলিয়াকে। গোল ডটকম