শুরুটা দারুণ করেছিল মেক্সিকো। ২ মিনিটে ইরভিং লোসানো বাম দিক দিয়ে দ্রুত গতিতে ডিবক্সে ঢুকে যান। জেরোম বোয়াটেং প্রতিহত করেন তার চেষ্টা। তৃতীয় মিনিটে ইয়াশুয়া কিমিখের থ্রো থেকে টিমো বেয়ারনার বল নিয়ে জার্মান বক্সে পৌঁছে শট নিয়েছিলেন, কিন্তু গোলপোস্টের একটু দূর দিয়ে বল চলে যায়।
১০ মিনিটে মানুয়েল নয়ারের কঠিন পরীক্ষা নেয় মেক্সিকো। জার্মানির দুর্বল মাঝমাঠের সুযোগ নিয়ে এক্তর এরেরা দূর থেকে শট নিয়েছিলেন। কোনোভাবে বলটা হাতে নিয়ে নেন জার্মান গোলরক্ষক।
টোনি ক্রসের হ্যান্ডবলে ফ্রি কিক পায় মেক্সিকো ১৪ মিনিটে। ডিবক্সের মাঝে থেকে হেক্তর মোরেনো হেড করেছিলেন। কিন্তু নয়ারকে খুব বেশি ভুগতে হয়নি তাকে রুখে দিতে।
১৫ মিনিটে সুযোগ পায় জার্মানি, কিমিখ ডানদিক থেকে পোস্টের দিকে বল বাড়ান। খেদিরা বলে পা লাগাতে ব্যর্থ হন। মেক্সিকোর ডিফেন্ডার কার্লোস সালসেদো দ্রুত গোলপোস্টের পাশ দিয়ে বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে বিপদমুক্ত করেন।
২০ মিনিটে বেয়ারনারের দুর্বল শট জড়ায়নি জালে। দুই মিনিট পর গিয়েরমো ওচোয়া দূর থেকে নেওয়া ক্রোসের লম্বা শট ঠেকান।
মুহুর্মুহু আক্রমণে তটস্থ হয়ে পড়ে জার্মান রক্ষণভাগ। কিন্তু পারেনি তারা সেটা রক্ষা করতে। ৩৫ মিনিটে হাভিয়ের এর্নান্দেস বাঁ দিকে বল ঠেলে দেন, লোসানো কাট করে ঢুকে যান বক্সে এবং লক্ষ্যভেদ করেন শক্তিশালী শটে।
চার মিনিট পর আবারও ওচোয়া মেক্সিকোর ত্রাতা হন। ৩৯ মিনিটে ক্রোসের চমৎকার ফ্রি কিক আঙুলের আলতো ছোঁয়ায় লক্ষ্যভ্রষ্ট করেন এই গোলরক্ষক।
প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে শট হয়েছে ৯টি, যা ২০০৬ সালে টোগো ও ফ্রান্সের ম্যাচের পর প্রথম ৪৫ মিনিটে সবচেয়ে বেশি।
অবশ্য ইতিহাস এখনও জার্মানির পক্ষে। সবশেষ তারা বিশ্বকাপে প্রথম গোল খেয়েছিল ১৯৯৮ সালে, তারপরও তারা ঘুরে দাঁড়িয়ে জিতেছিল। ওই ম্যাচেও প্রতিপক্ষ ছিল মেক্সিকো, জার্মানরা জিতেছিল ২-১ গোলে।