কোস্টারিকার বিপক্ষে কঠিন পরীক্ষা দিতে হয়েছে ব্রাজিলকে। আক্রমণের পর আক্রমণ চালিয়ে কনকাকাফ অঞ্চলের দলটির রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখলেও গোলের দেখা পাচ্ছিল সেলেসাওরা। অবশেষে দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে কোস্টারিকার রক্ষণ দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলকে উৎসবে ভাসান ফিলিপে কৌতিনিয়ো। এরপর ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার।
ওই গোলটাই তাকে বসিয়েছে ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকার তৃতীয় স্থানে। ৫৬ গোল করে নেইমার ছাড়িয়ে গেছেন সেলেসাও কিংবদন্তি রোমারিওকে। বিশ্বকাপে নামার আগে ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচে লক্ষ্যভেদ করে প্যারিস সেন্ত জার্মেই ফরোয়ার্ড ধরে ফেলেছিলেন রোমারিও’র ৫৫ গোল। আর কোস্টারিকার জালে বল জড়িয়ে টপকে যান তাকে।
৮৭ ম্যাচে ৫৬ গোল করা নেইমারের উপরে আছেন কেবল পেলে (৭৭) ও রোনালদো (৬২)। বিশ্বকাপ জয়ী রোনালদোকে ধরতে তার চাই আর ৬ গোল। যেভাবে গোল করে যাচ্ছেন, তাতে সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ স্ট্রাইকারকে পেরিয়ে যেতে খুব একটা সময় লাগার কথা না তার।
কোস্টারিকার বিপক্ষে শেষ মুহূর্তের লক্ষ্যভেদের আগে বেশ কয়েকটি ভালো সুযোগ তৈরি করেছিলেন ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড। যদিও কাজে লাগাতে পারেননি। তাকে ফাউল করায় ব্রাজিল পেনাল্টিও পেয়েছিল, কিন্তু ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারিতে (ভিএআর) তা বাতিল হয়ে যায়। তবে গোল করেই মাঠ ছেড়েছেন সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ড। গোল ডটকম
ব্রাজিলের সর্বোচ্চ গোলদাতা:
খেলোয়াড় | ম্যাচ | গোল |
পেলে | ৯২ | ৭৭ |
রোনালদো | ৯৮ | ৬২ |
নেইমার | ৮৭ | ৫৬ |
রোমারিও | ৭০ | ৫৫ |
জিকো | ৭১ | ৪৮ |
বেবেতো | ৭৫ | ৩৯ |
রিভালদো | ৭৪ | ৩৫ |
জাইরজিনহো | ৮১ | ৩৩ |
রোনালদিনহো | ৯৭ | ৩৩ |
আদেমির | ৩৯ | ৩২ |
তোস্তা | ৫৪ | ৩২ |