টানা দুই জয়ে ফ্রান্সের নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগের ম্যাচেই। ‘লে ব্লুজ’ অপেক্ষায় ছিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার। সেই মিশনে মঙ্গলবার তারা শেষ ম্যাচে মুখোমুখি হয় ডেনমার্কের। ৪ পয়েন্ট নিয়ে ডেনিশরা দ্বিতীয় স্থানে থাকলেও নিশ্চিত ছিল না গ্রুপ পর্ব। কারণ ১ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা অস্ট্রেলিয়া জিতে গেলে তাদের বিদায়ঘণ্টা বাজার সম্ভাবনা ছিল।
যদিও পেরু সেই সম্ভাবনার সামন্যতম আশাও জাগাতে দেয়নি অস্ট্রেলিয়াকে। আগেই বিশ্বকাপ শেষ হয়ে যাওয়া লাতিন আমেরিকার দলটি সকারুদের হারিয়ে নিজেদের সঙ্গে নিয়ে গেছে বিশ্বকাপের বাইরে। ২-০ গোলের হারে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেছে অস্ট্রেলিয়া। আর ফ্রান্স-ডেনমার্ক পয়েন্ট ভাগাভাগি করে পৌঁছে গেছে নকআউট পর্বে। ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপসেরা হয়েছে ফ্রান্স, আর সমান ম্যাচে ৫ পয়েন্টে রানার্স-আপ হয়ে শেষ ষোলোতে নাম লিখিয়েছে ডেনমার্ক।
ফ্রান্সের নকআউট পর্ব নিশ্চিত হয়ে গেছে, আর ডেনমার্কের বিপক্ষে না হারলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাও নিশ্চিত, সে কারণেই হয়তো খুব বেশি চেষ্টা ছিল না ফরাসিদের খেলায়। অন্যদিকে ড্র করলে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত যাবে বলে ডেনমার্ক খেলেছে রক্ষণাত্মক। যেখানে ফ্রান্সের আক্রমণ বেশি থাকলেও গোলের দেখা পাননি আন্তোয়ান গ্রিয়েজমান, কাইলিয়ান এমবাপে ও উসমান দেম্বেলে। শেষ পর্যন্ত গোলশূন্য ড্রতেই গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে মাঠ ছাড়ে ১৯৯৮ সালের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা।
৩৬ বছর পর প্রথমবার বিশ্বকাপে গোলের দেখা পেল পেরু! ১৯৮২ সালের বিশ্বকাপের পর এবারই প্রথম ফুটবল মহাযজ্ঞে সুযোগ পেয়েছে যে লাতিন দেশটি। তবে প্রথম দুই ম্যাচে গোল করতে ব্যর্থ হয় তারা। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দূর হয় তাদের গোলের আক্ষেপ। ১৮তম মিনিটে কারিয়োকে দিয়ে প্রথমে গোল করানোর পর ৫০তম মিনিটে নিজে স্কোরশিটে নাম লেখান গেরেইরো।