ইওয়াখিম ল্যোভতার ভবিষ্যৎই এখন অনিশ্চিত। জার্মানির কোচ হিসেবে থাকবেন কিনা, ইওয়াখিম ল্যোভ নিশ্চিত নন। তবে বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নেওয়ার পর দলে পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন ৫৮ বছর বয়সী এই কোচ।
বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে রাশিয়ার আসরে নেমেছিল জার্মানি। স্বপ্ন ছিল শিরোপা ধরে রাখার। অথচ গ্রুপ পর্বের বাধাই পেরোতে পারেনি জার্মানরা। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে হেরে বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়েছে ‘এফ’ গ্রুপের তলানিতে থেকে। যাতে ১৯৩৮ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছে জার্মানি।
কঠিন এই ধাক্কার পর কোচের চেয়ার ধরে রাখবেন কিনা, এ ব্যাপারে নিশ্চিত নন ল্যোভ। বিশ্বকাপের আগেই ২০২২ সাল পর্যন্ত চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো এই কোচ অবশ্য দলে ‘বড় পরিবর্তনের’ ডাক দিয়েছেন। বিশ্বকাপ জয়ী কোচের বক্তব্য, ‘এরকম পরিস্থিতিতে আমরা পড়েছিলাম ২০০৪ সালে, যখন দল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল। এরপর অনেক কিছুর পরিবর্তন হয়েছে। গত ১৪ বছরে আমরা শুধু ভালোই খেলেছি, বিশ্বচ্যাম্পিয়নও হয়েছি।’
২০০৪ সালের ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার মতো আরেকটি বড় পরিবর্তনের ডাক ল্যোভের, ‘এখন আমরা (বিশ্বকাপ থেকে) বিদায় নিয়েছি, যা ভীষণ হতাশার। আমাদের অবশ্যই এখন সঠিক পদক্ষেপের মাধ্যমে ঘুরে দাঁড়াতে হবে। আমাদের পরিবর্তন দরকার, বড় পরিবর্তন।’
রাশিয়া বিশ্বকাপের শুরু থেকেই জার্মানিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের হারের লজ্জার আগে মেক্সিকোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও নিষ্প্রভ জার্মানরা হেরেছিল ১-০ ব্যবধানে। এই ব্যর্থতার কারণ কী? ২০০৬ সাল থেকে জার্মানির কোচ হিসেবে কাজ করা ল্যোভ এখনই কিছু বলতে চাইছেন না, ‘এই ব্যাপারে কথা বলাটা এখনই ঠিক হবে না। অবশ্যই এটা নিয়ে আমরা কথা বলব। তবে আমাদের ব্যর্থতা একটি কারণে কিংবা একটা বিষয়ে হয়নি।’ সঙ্গে যোগ করেছেন, ‘অনেক কারণ আছে, আর আমার দায়িত্ব সেগুলো খুঁজে বের করা।’ গোল ডটকম