গ্রুপ পর্বে আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনকে মিন্টু বলেছেন, ‘ওভার অল আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স ভালো ছিল না, অনেক কষ্ট করে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে হয়েছে। খেলোয়াড়রা তেমন ভালো পারফর্ম করতে পারেনি। শেষ ম্যাচে ভালো খেললেও চ্যাম্পিয়ন টিমের মতো খেলতে পারেনি এখনও। নকআউটে আর্জেন্টিনার সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ অপেক্ষা করছে।’
অন্যদিকে ব্রাজিলের পারফরম্যান্স নিয়ে তার মূল্যায়ন, ‘ব্রাজিলের খেলায় ধারাবাহিকতা ছিল। কোচ তিতে একাদশ নিয়ে বড় কোনও পরীক্ষা করেননি, ১৩/১৪ জনকে নিয়ে তিনটি ম্যাচের একাদশ সাজিয়েছেন। বদলি খেলোয়াড় হিসেবে কে কার জায়গায় আসবে, সেই সিদ্ধান্ত বিচক্ষণতার সঙ্গে নিয়েছেন তিনি। ব্রাজিলকে ওয়েল অর্গানাইজড দল বলেই মনে হচ্ছে। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া ব্রাজিলের শেষ ষোলোতে আরও ভালো খেলার সম্ভাবনা আছে।’
তিন মহাতারকার মধ্যে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর খেলা সবচেয়ে ভালো লেগেছে মিন্টুর, ‘রোনালদো ছাড়া মেসি আর নেইমারের পারফরম্যান্স আপ টু দ্য মার্ক মনে হয়নি। রোনালদো চারটি গোল করেছে, একাই দলকে টেনে নিয়ে এসেছে। মেসি এ পর্যন্ত তেমন কিছু করে দেখাতে পারেনি। নাইজেরিয়ার বিপক্ষে দুর্দান্ত গোল করলেও গ্রুপ পর্বে সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেনি মেসি। হয়তো দ্বিতীয় রাউন্ডে খেলতে পারবে। নেইমারেরও একই অবস্থা, নিজের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেনি।’
এবারের বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় অঘটন প্রথম পর্ব থেকে জার্মানির বিদায়। তবে গতবারের চ্যাম্পিয়নদের বিদায়ে তেমন অবাক হননি মিন্টু, ‘বিশ্বকাপের আগে ফ্রেন্ডলি ম্যাচগুলো দেখে আমার মনে হয়েছিল বিশ্বকাপে সাফার করতে হবে জার্মানিকে। শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো। গত বিশ্বকাপে খেলা পাঁচ জন এবার ছিল না। মিরোস্লাভ ক্লোসা বা লুকাস পোডলস্কির মতো খেলোয়াড় কই? নতুনরা কেমন খেলেছে সেটা তো সবাই দেখেছে।’
এশিয়ার দলগুলোর মধ্যে জাপান আর ইরানের খেলা ভালো লেগেছে জাতীয় দলের এই সাবেক ডিফেন্ডারের, ‘জাপান এবার ভালোই খেলছে। আসলে জাপান রহস্যময় একটি দল। গত পাঁচটি বিশ্বকাপের দিকে তাকালেই ব্যাপারটা পরিষ্কার হবে। কখনও তারা দ্বিতীয় রাউন্ডে যায়, কখনও বিদায় নেয় গ্রুপ পর্ব থেকে। এশিয়ার আরেক দল ইরান ভালোই লড়াই করেছে পর্তুগাল ও স্পেনের বিপক্ষে। সামর্থ্য অনুযায়ী ভালোই খেলেছে তারা।’