খেলাটি সরাসরি সম্প্রচার হবে মাছরাঙা, নাগরিক, সনি টেন ২ ও টেন ৩ চ্যানেলে।
নকআউটের প্রথম পর্বে মুখোমুখি হওয়ার আগে দুই দলই অপরাজিত। তবে রাশিয়াতে এখন পর্যন্ত অন্যতম সফল দল ক্রোয়েশিয়া। গ্রুপের সবগুলো ম্যাচ জিতেছে তারা দাপটের সঙ্গে। এবারই প্রথম টানা তিন ম্যাচ জিতে বিশ্বকাপে নজর কাড়ছে ক্রোয়েটরা।
আর ডেনমার্ক, বলা চলে সৌভাগ্যের ছোঁয়ায় তারা চতুর্থবার শেষ ষোলোতে। সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে তাদের কাছে ১-০ গোলে প্রথম ম্যাচ হেরেছিল পেরু। তারপর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ১-১ গোলের ড্র করে ডেনিসরা। শেষ ম্যাচে ফ্রান্সের সঙ্গে গোলশূন্য ড্র পৌঁছে দেয় নকআউটে।
দুই দলের মধ্যে দারুণ একটি মিল, কেউই উন্মুক্ত খেলা থেকে গোল খায়নি। দুই দলের জালে প্রতিপক্ষ বল জড়িয়েছে পেনাল্টি থেকে। তাই রক্ষণভাগ নিয়ে স্বস্তিতে তারা।
ফ্রান্সের ওই বিশ্বকাপে রোমানিয়া ও জার্মানিকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল ক্রোয়েশিয়া। কিন্তু শেষ চারে স্বাগতিকদের কাছে হেরে তৃতীয় হওয়ার সেরা সাফল্য পায় দলটি। তারপর আর কখনও নকআউট জেতা হয়নি ক্রোয়েশিয়ার। ওইবারই নাইজেরিয়াকে ৪-১ গোলে হারিয়ে শেষবার কোয়ার্টার ফাইনালের মুখ দেখা ডেনমার্ক ৩-২ গোলে হেরে যায় ব্রাজিলের কাছে।
ক্রোয়েশিয়া বিশ্বকাপে দারুণ খেললেও ১৮ ম্যাচ অজেয় থাকা ডেনমার্ককে সমীহ করছেন কোচ জাৎকো দালিচ, ‘ডেনিসরা আমাদের সর্বোচ্চ সমীহই পাচ্ছে। একটা বিষয় মনে রাখতে হবে, তারা ১৮ ম্যাচ ধরে অপরাজিত। এটা তাদের পারফরম্যান্স বলে দেয়। শেষ ষোলোতে যদি কিছু করতে না পারি তাহলে গ্রুপে আমরা কী করেছি সেটা মনে রাখার মতো হবে না।’
২০১৬ সালের অক্টোবরে সবশেষ মন্টেনিগ্রোর কাছে হারে ডেনমার্ক। আজ অজেয় থাকার ধারাবাহিকতা তারা নিতে চায় ১৯তম ম্যাচে।
দুই দলের দ্বৈরথও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। পাঁচ ম্যাচে মুখোমুখি হয়ে দুটি করে জয় ও একটি ড্র। সবশেষ তাদের দেখা হয়েছিল ২০০৪ সালের ইউরোর আগে প্রস্তুতি ম্যাচে। ২-১ গোলে কোপেনহেগেনে জিতেছিল ক্রোয়েটরা। আর বড় মঞ্চে দুই দলের সবশেষ সাক্ষাৎ হয় ১৯৯৬ সালের ইউরোতে, ডেভর সুকারের জোড়া গোলে ৩-০ তে ডেনিসদের হারায় তারা। বিবিসি, ইএসপিএনএফসি