অতিরিক্ত সময়ে ডেনমার্ক-ক্রোয়েশিয়ার লড়াই

শেষ দিকে পেরিসিচ ব্যর্থ হয়েছেন লক্ষ্যভেদ করতে (ছবি: রয়টার্স)৪ মিনিটে ২ গোলে টানটান উত্তেজনা ছড়িয়েছিল ডেনমার্ক ও ক্রোয়েশিয়ার শেষ ষোলোর লড়াই। কিন্তু বাকি ৮৬ মিনিটে হয়েছে শুধু সুযোগ নষ্ট তৈরির হতাশা। এতে নিঝনি নোভগোরদে দুই দলের ম্যাচ গড়িয়েছে অতিরিক্ত সময়ে, স্কোর ১-১।

ম্যাচ শুরুর বাঁশি বাজতে না বাজতে গোল উদযাপনে মেতেছিল ডেনমার্ক। জোনাস নুডসেনের লম্বা থ্রো থেকে ক্রোয়েটদের ডিবক্সের বল পান থোমাস ডিলানে। বাঁ দিকে বল বাড়িয়ে দেন তিনি। মাতিয়াস জর্গেনসেন ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার দোমাগো ভিদার পায়ের নিচ দিয়ে পাঠিয়ে ক্রোয়েট গোলরক্ষক দানিয়েল সুবাসিচকে পরাস্ত করেন। ২০১৪ সালে ঘানার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ক্লিন্ট ডেম্পসে ২৯ সেকেন্ডে গোল করেছিলেন। এদিন দেখা গেল বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দ্রুততম গোলের।

তবে ডেনিসদের বেশিক্ষণ এগিয়ে থাকতে দেয়নি ক্রোয়েশিয়া। ৪ মিনিটে ক্রিস্টেনসেন বল বিপদমুক্ত করতে ব্যর্থ হলে বাঁ পোস্টে দাঁড়ানো মারিও মানজুকিচ সমতা ফেরানো গোল করেন।

বিশ্বকাপে এনিয়ে চতুর্থবার চার মিনিটের মধ্যে দুই গোল হলো। আর দুই দলের চার মিনিটে দুই গোল দেওয়ার ঘটনা ঘটল কেবল দ্বিতীয়বার।

পরের সুবর্ণ সুযোগটি পেয়েছে ক্রোয়েশিয়া ২৯ মিনিটে। বেশ দূর থেকে গোলমুখে শট নেন ইভান রাকিতিচ। ডেনমার্ক গোলরক্ষক ক্যাস্পার শুমেইখেল সেটা প্রতিহত করলে উইং থেকে আন্তে রেবিচ ফিরতি শট নেন। আবারও শুমেইখেল বল পাঠান সামনের দিকে। গোলপোস্টের সামনে বেশ ফাঁকা জায়গায় বল পান ইভান পেরিসিচ, কিন্তু তিনি জোরালো শট করেন গোলবারের উপর দিয়ে।

৩৯ মিনিটে ফ্রি কিক থেকে মদরিচের নিখুঁত ক্রসে দেহান লভরেন লক্ষ্যে হেড করেছিলেন, কিন্তু বল চলে যায় গোলবারের পাশ দিয়ে। পরের মিনিটে ইউসুফ পলসেনের পাস থেকে বল পায়ে নিতে পারেননি ডেনমার্ক স্ট্রাইকার আন্দ্রেস কর্নেলিয়াস।

৪৪ মিনিটে বাঁ প্রান্ত থেকে পাস পেয়ে কাজে লাগাতে ব্যর্থ হন রাকিতিচ। তার দুর্বল শট ডাইভ দিয়ে থামান শুমেইখেল।

দ্বিতীয়ার্ধে ফিরে সুযোগ তৈরিতে এগিয়ে ছিল ডেনমার্ক। যদিও দুর্বল ফিনিশিংয়ে কাঙ্ক্ষিত গোলের দেখা পায়নি তারা। পলসেন ও ক্রিস্টিয়ান এরিকসেনের ওয়ান-টু পাসে কর্নেলিয়াসের শট গোলবারের পাশ দিয়ে ব্যর্থ হয়। বদলি নেমে নিকোলাই জর্গেনসেন ৭২ মিনিটে দারুণ সুযোগ পেয়েও সুবাসিচের কাছে সরাসরি বল দেন।

নির্ধারিত সময়ের শেষ ৫ মিনিট পেরিসিচ দুইবার লক্ষ্যভেদ করতে ব্যর্থ হন গোলবারের উপর দিয়ে বল মেরে। ইনজুরি সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে ২৭ গজ দূর থেকে নেওয়া রাকিতিচের শট বাঁ পোস্টের পাশ দিয়ে চলে যায়।