দুই গোলরক্ষকের পরীক্ষায় শুরু হয় সামার অ্যারেনার লড়াই। ২ মিনিটে গুয়ার্দাদোর ক্রস অ্যালিসন পাঞ্চ করে বিপদমুক্ত করেন। ব্রাজিলিয়ান গোলরক্ষকের হাত ফসকে বেরিয়ে আসা বলে লোসানো হাফ ভলি নেন, মিরান্দা করেন ব্লক।
৫ মিনিটে রাফা মারকেসের ভুল পাসে বল পান নেইমার। ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া তার শট কাসেমিরো লক্ষ্যে পাঠানোর আগে মেক্সিকান গোলরক্ষক ওচোয়া সেভ করেন। যদিও বল হাতে রাখতে পারেননি তিনি। দুই মিনিট পর নেইমারের ফ্রি কিক বক্স থেকে বিপদমুক্ত করেন আলভারেস।
তারপর থেকে বেশ কিছুক্ষণ মেক্সিকোর আক্রমণভাগ রুখতে ব্যস্ত সময় কাটিয়েছে ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডাররা। ১৫ মিনিটে ডান দিক থেকে লোসানোর লম্বা ক্রস বক্সের মধ্যে ঢোকে। কিন্তু বলের গতির সঙ্গে পেরে ওঠেননি হাভিয়ের এর্নেন্দেস, পায়ে নিতে পারেননি বল।
২২ মিনিটে কার্লোস ভেলার পাসে বল জায়গা করে নেয় বক্সে এক্তর এরেরার পায়ে। তার বাঁ পায়ের প্রথম শট এবার ব্লক করেন লুইস।
৩২ মিনিটে ফিলিপে কৌতিনিয়োর বাড়ানো বলে বাঁ দিক থেকে লক্ষ্যে নিখুঁত শট নেন জেসুস। কিন্তু ওচোয়া দারুণ দক্ষতায় তাকে ব্যর্থ করে দেন। পাউলিনিয়ো ফিরতি শট নেওয়ার আগে আয়ালা বল বিপদজ্জনক জায়গা থেকে ফিরিয়ে দেন।
প্রথমার্ধে লক্ষ্যে তিনটি শট নিয়েও ওচোয়া বীরত্বে গোলের দেখা পায়নি ব্রাজিল।