পর্তুগালের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচে উরুগুয়ে পেয়েছে ২-১ গোলের জয়। লাতিন আমেরিকার দলটির জয়ের পথে দুটো গোলই করেছিলেন কাভানি। কিন্তু ওই ম্যাচে পাওয়া হ্যামস্ট্রিং চোটে মঙ্গলবার দলের সঙ্গে অনুশীলন করতে পারেননি পিএসজি তারকা। তাই ফ্রান্সের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে তার খেলা নিয়ে জন্মেছে সংশয়। যদিও উরুগুয়ের বিশ্বাস, কাভানিকে পাবেন তারা। তবে শেষ পর্যন্ত যদি এই ফরোয়ার্ডকে না পাওয়া যায়, তাহলেও লাতিন দেশটি মানিয়ে নিতে পারবেন বলে বিশ্বাস তার সতীর্থ সুয়ারেসের।
সংবাদ সম্মেলনে বার্সেলোনা তারকা বলেছেন, ‘৩০ লাখ উরুগুইয়ানের মধ্যে আমিও অপেক্ষায় আছি এদির (কাভানি) জন্য। জানি বিষয়টা জটিল, কারণ চোটটা মোটেও সহজ নয়, তাছাড়া সেরে ওঠার জন্য কয়েকটা দিন পাবে মাত্র। তবে আমি ওর ইচ্ছাশক্তি, আচরণ ও দলের প্রতি দায়িত্ববোধ সম্পর্কে জানি, যদিও সবকিছু ওর ওপর নির্ভর করছে না।’
উরুগুয়ের সেরা অস্ত্র সুয়ারেস ও কাভানি। তবে দলের গুরুত্বপূর্ণ দুই খেলোয়াড়কে ছাড়াও যে লাতিন দেশটি লড়াই করতে পারে, তার প্রমাণ তারা দিয়েছে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে। ২০১৫ সালে সাবেক নাপোলি তারকা ও সুয়ারেসকে ছাড়া বলিভিয়া ও কলম্বিয়ার বিপক্ষে খেলা দুটো ম্যাচেই জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল ‘লা সেলেস্তেরা’। যে কারণে সুয়ারেস জোর গলায় বলতে পারছেন, ‘উরুগুয়ে একক খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভরশীল দল নয়।’
কাভানির গুরুত্ব বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডও জানেন, তবে তাকে ছাড়াও উরুগুয়ে মানিয়ে নিতে পারবেন বলে বিশ্বাস সুয়ারেসের, ‘এটা বিশ্বকাপ, আর এদির ফর্ম ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। যদিও দলে অনেক খেলোয়াড় আছে, যারা একই রকম গুরুত্বপূর্ণ। পরিস্থিতি শুধু একজন খেলোয়াড়ের ওপর নির্ভর করছে না, উরুগুয়ে মাঠে দেখিয়েছে আমরা দলীয় পারফরম্যান্সের ওপর নির্ভরশীল।’
সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে উরুগুয়ের প্রতিপক্ষ ফ্রান্স। শুক্রবার বাংলাদেশ সময় রাত ৮টায় মুখোমুখি হবে দল দুটি।