দুর্দান্ত ফুটবল দেখিয়ে নকআউট পর্ব নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। এরপরও গ্রুপ পর্ব থেকে রানার্স-আপ হয়ে উঠতে হয় তাদের শেষ ষোলোতে। উল্টো দিকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ার শঙ্কায় থাকা কলম্বিয়া তাদের গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়ে নাম লেখায় শেষ ষোলোতে।
ইংল্যান্ড কিংবা কলম্বিয়া- কোনও দলই গোছানো ফুটবল খেলতে পারেননি প্রথমার্ধে। খেলার উত্তেজনাও তেমন একটা জমেনি। সুযোগ তৈরির দিক থেকে ইংলিশরা এগিয়ে থাকলেও কাজে লাগাতে পারেনি। বিপরীতে লাতিন আমেরিকার দলটি আক্রমণে উঠলেও ইংল্যান্ডের কড়া রক্ষণ ভেঙে বক্সের ভেতর ঢুকতে পারেনি খুব একটা।
১৬তম মিনিটে ইংল্যান্ডের আসে ভালো সুযোগ। যদিও এবারের বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হ্যারি কেইন হেডটা রাখতে পারেননি পোস্টের মধ্যে। কিয়েরন ট্রিপিয়ারের ক্রস ছোট বক্সের সামনে থেকে ইংলিশ অধিনায়ক আড়াআড়ি হেড করলে বল বারের ওপর দিয়ে পড়ে জালে।
৪২ মিনিটে বক্সের বাইরে ফ্রি কিক পায় ইংল্যান্ড। হ্যারি কেইনকে ফাউল করায় পাওয়া ফ্রি কিকটা কাজে লাগাতে পারেনি ইংলিশরা। ট্রিপিয়ার মারের পোস্টের অনেকটা বাইরে দিয়ে।
তিউনিসিয়ার বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করেছিল ইংল্যান্ড। উদ্বোধনী ম্যাচের একাদশ নিয়ে শেষ ষোলোর মিশনে নেমেছিল থ্রি লায়ন্স। কলম্বিয়ার জন্য অবশ্য আগেই ছিল দুঃসংবাদ। চোটের কারণে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের একাদশে থাকতে পারেননি হামেস রোদ্রিগেস। সেনেগালের বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ মিডফিল্ডারকে।