কোয়ার্টার ফাইনালের পর থেকে আগের হলুদ কার্ডগুলো বাতিল হয়ে যাবে। কিন্তু বেশ কয়েকজন খেলোয়াড় তাদের নামের পাশে একটি করে হলুদ কার্ড নিয়ে শেষ আটে নামছে।
ফ্রান্সের চারজন খেলোয়াড় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখলে খেলতে পারবেন না সম্ভাব্য সেমিফাইনালে। তাদের মধ্যে আছেন পল পগবা, বেঞ্জামিন পাভার্ড ও অলিভার জিরুদ। উরুগুয়ের শঙ্কা কেবল একজনকে নিয়ে- রোদ্রিগো বেন্তানকুর।
বেলজিয়াম বনাম ব্রাজিলের ম্যাচ জয়ী দল সেমিফাইনালে তাদের তারকাদের নিয়ে সংশয়ে। টুর্নামেন্টের ফেভারিট ব্রাজিলের তিন খেলোয়াড় দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের সংশয়ে, অন্যতম হলেন দুটি করে গোল করা ফিলিপে কৌতিনিয়ো ও নেইমার। কেভিন ডি ব্রুইন, থোমাস মুনিয়ের ও জ্যান ভারটনঘেনসহ বেলজিয়ামের পাঁচ খেলোয়াড়ের পাশে রয়েছে একটি করে হলুদ কার্ড।
ইংল্যান্ডের চার খেলোয়াড় একটি করে হলুদ কার্ড নিয়ে খেলবেন সুইডেনের বিপক্ষে। উল্লেখযোগ্য নাম হলো জর্ডান হেন্ডারসন, জেসে লিনগার্দ ও কাইল ওয়াকার। সুইডেনের ভিক্টর ক্লাসন ও আলবিন একডাল আর একটি হলুদ কার্ড দেখলে বাদ পড়বেন সম্ভাব্য সেমিফাইনাল থেকে।
তবে সবচেয়ে বিশৃঙ্খল অবস্থা চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে। ক্রোয়েশিয়ার ৮ খেলোয়াড় এবং রাশিয়ার ৫ জন একটি করে হলুদ কার্ড দেখেছেন। মারিও মানজুকিচ, ইভান রাকিতিচ, আন্তে রেবিচ ও সিমে ভ্রাসালিকোকে হারানো হতে পারে ক্রোয়েশিয়ার জন্য বড় ধরনের ক্ষতি। রাশিয়ার দুই নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় আলেক্সান্দার গোলোভিন ও ইলিয়া কুতেপোভকে একটু সতর্ক হয়েই খেলতে হবে।
অবশ্য কেউ এক ম্যাচেই দুটি হলুদ কার্ড বা সরাসরি লাল কার্ড দেখলে খেলতে পারবেন না সেমিফাইনাল। এরই মধ্যে নিষেধাজ্ঞায় বেলজিয়ামের বিপক্ষে কাসেমিরোকে পাবে না ব্রাজিল, আর সুইডেনের হয়ে খেলা হবে না মিকায়েল লুস্তিগের। ইএসপিএনএফসি