দেশের ‘শত্রু’ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন থিয়েরি অঁরি। বেলজিয়ামের কোচ রবের্তো মার্তিনেসের সহকারী হিসেবে কাজ করায় সেমিফাইনালে তিনি দাঁড়াবেন বেলজিয়ামের ডাগআউটে। আর শেষ চারের এই লড়াইয়ে বেলজিয়ামের প্রতিপক্ষ তারই জন্মস্থান ফ্রান্স।
বেলজিয়াম-ফ্রান্স মুখোমুখি দাঁড়িয়ে যাওয়ায় অঁরিকে নিয়ে চর্চা হচ্ছে খুব। সমালোচনা নয়, বরং দেশের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে যাওয়ার অনুভূতি কেমন হতে পারে, সেই উত্তরই খোঁজার চেষ্টা করছে ফুটবল বিশ্ব। বেলজিয়াম কোচ মার্তিনেস অবশ্য এসব অনুভূতির ভেতরে নেই। অঁরি তাদের জন্য কতটা ‘আশীর্বাদ’ হয়ে এসেছেন, সেটা নিয়েই কথা বলেছেন।
স্প্যানিশ কোচের মতে, বেলজিয়াম দলের মধ্যে যে অভাবটা ছিল, সেটা পূরণ করেছেন অঁরি। বিশ্বকাপ জয়ী খেলোয়াড় হিসেবে ফরাসি তারকা তার অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করেছেন দলের মধ্যে, যা ভীষণ কাজে দিয়েছে বলে মনে করেন মার্তিনেস। স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘আমাদের যেটার অভাব ছিল, সেটা ও নিয়ে এসেছে। আমার টেকনিক্যাল স্টাফ ১২ বছর ধরে একসঙ্গে, সেখানে বাড়তি অভিজ্ঞতা যোগ হয়েছে।’
সেটা কীভাবে? মার্তিনেসের পরের কথায় ব্যাখ্যাটা স্পষ্ট, ‘আমাদের যেটা ছিল না, সেটা হলো আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা। জানার ছিল- কীভাবে বিশ্বকাপ জেতা যায়, কীভাবে বিশ্বকাপের আগে খেলোয়াড়রা ভালো পারফর্ম করে এবং এই ধরনের পরিস্থিতিতে অনুভূতি কেমন হয়। থিয়েরি অঁরি এসব প্রশ্নের উত্তর নিয়ে হাজির হয়েছেন।’
বেলজিয়াম মিডফিল্ডার কেভিন ডি ব্রুইন বুঝতে পারছেন অঁরির পরিস্থিতি। ফ্রান্সের জাতীয় সংগীতের সময় সাবেক ফরাসি ফরোয়ার্ড হয়তো ঠোঁট মেলাবেন, তবে ‘সততা’ বেলজিয়ামের জন্য থাকবে বলে মনে করেন তিনি। ম্যানচেস্টার সিটি মিডফিল্ডারের বক্তব্য, ‘সম্ভবত তিনি লা মার্সেইয়েজ গাইবেন, যেটা আসলে স্বাভাবিক ব্যাপার। আগামীকাল (মঙ্গলবার) তার জন্য কঠিন একটা দিন, তবে তিনি এখন বেলজিয়ামের হয়ে কাজ করছেন, অবশ্যই চাইবেন আমাদের জয়। এটাই তো ফুটবল।’ মার্কা