১৭ এপ্রিল বাছাই পর্বের ড্র হওয়ার কথা। র্যাংকিংয়ের নিচের দিকে থাকায় শুরুতে হোম অ্যান্ড অ্যাওয়ে ভিত্তিতে শক্তিশালী দলের মুখোমুখি হতে পারে বাংলাদেশ। আর সেই লড়াই হেরে গেলে বিশ্বকাপ মিশন শেষ হয়ে যাবে শুরুতেই।
জেমি ডে তাই আটঘাট বেঁধে মাঠে নামার পক্ষে। শুক্রবার বাফুফে ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় দলের ইংলিশ কোচ বলেছেন, ‘জুনের বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের আগে অন্তত ১০ দিনের প্রস্তুতি দরকার। এই সময়ে খেলোয়াড়দের নিয়ে নিবিড় অনুশীলন হবে। বাছাই পর্বে হয়তো কঠিন দলের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। আমরা তাই ভালো মতো প্রস্তুতি নিতে চাই। লিগ চলবে বলে খেলোয়াড়রা ফিট থাকবে। তাই আন্তর্জাতিক ম্যাচে খেলতে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।’
সম্প্রতি কম্বোডিয়ায় ফিফা প্রীতি ম্যাচে জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। এরপর কাতারে অনুশীলন ক্যাম্প শেষে বাহরাইনে এএফসি অনূর্ধ্ব-২৩ ফুটবলের বাছাই পর্বে অংশ নিয়েছে। তিনটি ভিন্ন দেশে অল্প সময়ের ব্যবধানে খেললেও ফুটবলারদের পারফরম্যান্সে জেমি ডে খুশি, ‘কম্বোডিয়ায় আমরা জিতেছি। কাতারে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচেও দল ভালো করেছে। বাহরাইনে দুটি শক্তিশালী দলের বিপক্ষে হেরে গেলেও লড়াই করেছে ছেলেরা। সবশেষে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় পেয়েছে। সব মিলিয়ে ছেলেদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। তারা মাঠে নিজেদের সেরাটা দিয়েছে।’
জুনে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে জেমি ডে’র সঙ্গে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের চুক্তি শেষ হয়ে যাবে। জাতীয় দলের ম্যানেজার সত্যজিত দাশ রুপু অবশ্য এই ইংলিশ কোচকে ধরে রাখতে আশাবাদী, ‘জেমির কোচিংয়ে দল ভালোই খেলছে। তিনি বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছেন। তার পারফরম্যান্সে আমি ব্যক্তিগতভাবে খুশি। আশা করি, তার সঙ্গে আমরা ভবিষ্যতেও কাজ করতে পারবো।’
জেমি নিজেও আরও কিছু দিন বাংলাদেশে থাকতে চান, ‘আমি বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী। আশা করি, দুই পক্ষের সমঝোতায় ইতিবাচক কিছুর দেখা মিলবে।’
আরও পড়ুন: