এবার দেওয়া হবে না ব্যালন ডি’অর

গত বছর পুরস্কারটি জিতেছেন লিওনেল মেসিব্যক্তিগত পুরস্কারে সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে বিবেচনা করা হয় ব্যালন ডি’অর। ফরাসি সাময়িকী ফ্রান্স ফুটবল সেই ১৯৫৬ সাল থেকে প্রতি বছর দিয়ে আসছে পুরস্কারটি। তবে ঐতিহ্যবাহী ও মর্যাদার ‘সোনার বল’ এবার দেওয়া হবে না। করোনাভাইরাসে ক্রীড়াঙ্গনের অনেক প্রতিযোগিতা বন্ধ হয়ে যাওয়ার মতো ফ্রান্স ফুটবল ২০২০ সালে ব্যালন ডি’অর না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আজ (সোমবার) নিজেদের ওয়েবসাইটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স ফুটবল। ৬৪ বছরের ইতিহাসে প্রথমবার বাতিল হলো পুরস্কারটি। সংক্ষিপ্ত তালিকা থেকে ভোটের মাধ্যমে প্রতি বছর সেরা ফুটবলার বেছে নেয় ফুটবলবিষয়ক বিখ্যাত এই সাময়িকী। বিশ্বের বাছাই করা সাংবাদিকরা দিয়ে থাকেন ভোট।

নির্দিষ্ট সময়কালের পারফরম্যান্স বিবেচনায় নিয়ে সংক্ষিপ্ত তালিকা ও ভোটিং প্রক্রিয়া চলে। তবে করোনাভাইরাসের কারণে এবার ওই সময়কালের মধ্যে ইউরোপ কিংবা বেশিরভাগ দেশেরই খেলা শেষ করা যায়নি। তাছাড়া প্রতিযোগিতামূলক ফুটবলে সেরাটা দেওয়াতেও ছিল ঘাটতি। কেননা লম্বা সময় মাঠের বাইরে কাটিয়ে এসে ফিটনেস ফিরে পেতে যেমন ভুগতে হয়েছে খেলোয়াড়দের, তেমনি খেলা শুরুর পর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে নিজেদের সেরাটা দেওয়াও সম্ভব হয়নি।

এই সবদিক বিবেচনা করে ফ্রান্স ফুটবল ‘বিকল’ বছরে পুরস্কার দেওয়াকে নিজেদের ইতিহাসের সঙ্গে ‘মানানসই’ মনে করছে না। তাই ২০২০ সালে ব্যালন ডি’অর না দেওয়াকেই ‘উপযুক্ত’ মনে করছে তারা।

ইউরোপিয়ান বর্ষসেরা খেলোয়াড় হিসেবে ১৯৫৬ সালে পুরস্কারটি যাত্রা শুরুর পর প্রথম জিতেছিলেন ইংল্যান্ডের স্ট্যানলি ম্যাথিউস। ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত শুধু ইউরোপিয়ান ফুটবলারদের মধ্যেই সীমাবন্ধ ছিল পুরস্কারটি। পরে এটি ইউরোপিয়ান ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের জন্যও প্রযোজ্য হয়। আর ২০০৭ সালে হয়ে যায় সবার জন্য উন্মুক্ত।

গত বছর ব্যালন ডি’অর জিতেছেন লিওনেল মেসি। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ও ভার্জিল ফন ডাইককে হারিয়ে আর্জেন্টাইন তারকা মর্যাদার পুরস্কারটি জিতেছেন রেকর্ড ষষ্ঠবার।