‘ই’ গ্রুপে বসুন্ধরা কিংসের পাঁচ ম্যাচ ২৩ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর। ২৩ অক্টোবর স্বাগতিক মাঝিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিপক্ষে তাদের প্রথম ম্যাচ। ৪ নভেম্বর একই দলের বিপক্ষে হবে শেষ ম্যাচ। এছাড়া ২৬ ও ২৯ অক্টোবর ভারতের চেন্নাই সিটি এবং ১ নভেম্বর টিসি স্পোর্টসের মুখোমুখি হবে বসুন্ধরা।
দলটির মিডফিল্ডার ইমন মাহমুদ এর আগেও আবাহনী ও জাতীয় দলের হয়ে মালদ্বীপে খেলেছেন। তিক্ত অভিজ্ঞতার কথাই শোনালেন তিনি, ‘সেখানে (মালদ্বীপ) খেলতে গিয়ে আমাদের নানান রকম নেতিবাচক অভিজ্ঞতা হয়েছে। দেখা গেছে, এএফসি কাপে আমাদের ওরা মালে থেকে বেশ দূরে আতিথেয়তা দিয়েছে। বোট দিয়ে মালে শহরে আসতেই আধঘণ্টার বেশি সময় লেগে যায়। ম্যাচের দিন তো ভ্রমণ ক্লান্তির কারণে আমরা ঠিকমতো খেলতেই পারিনি।’
অনুশীলনের মাঠ নিয়েও সেই সময় সন্তুষ্ট ছিলেন না ইমন, ‘এছাড়া অনুশীলনের মাঠ তেমন সুবিধার ছিল না। এএফসি কাপে তাদের মাঠে দর্শক থাকবে। সুতরাং আমাদের খেলাটা সহজ হবে না। তবে বসুন্ধরা কিংস ভালো দল। আমরা সফল হওয়ার জন্য সেখানে যাব। আমাদের সেখানে সতর্ক হয়ে খেলতে হবে।’
ডিফেন্ডার তপু বর্মণের অভিজ্ঞতা তো আরও ভয়ঙ্কর, ‘সেখানে স্পিডবোটে চড়িয়ে খেলতে নিয়ে এসেই প্রতিপক্ষকে একদফা শেষ করে দেয়। স্পিডবোটে ফুটবলাররা বমি করেই অর্ধেক শেষ হয়ে গিয়েছিল। এর থেকে বাঁচার উপায় হলো আমাদের ম্যানেজমেন্টকেই হোটেল ঠিক করতে হবে মালে শহরে।’
নিকট-অতীতে মালদ্বীপ জাতীয় দল কিংবা দেশটির কোনও ক্লাবকে তাদের মাঠে হারানো যায়নি। তাই তপু ভালো খেলেই সেখানে ইতিবাচক ফল আনতে চান, ‘ওদের ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে সবসময় ওরা ভালো খেলে। ক্যারিয়ারে ওখানে তাদের খারাপ খেলতে দেখিনি। এ পর্যন্ত ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে খেললেও সেখানে সাফল্য পাইনি। এবার সাফল্য পেতে চাই।’