সেটা শুধু বার্সেলোনার জার্সিতে নয়, আর্জেন্টিনার হয়ে যখন মাঠে নামেন তখনও শুধু দলের কথা চিন্তা করেই খেলেন। কাতালানদের হয়ে ১৬ বছরের ক্যারিয়ারে মেসি সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসেছেন অনেক আগেই। ৭৩৪ ম্যাচে করেছেন ৬৩৫ গোল। আর্জেন্টিনার জার্সিতেও তার গোলের রেকর্ড সমৃদ্ধ। আগেই আলবিসেলেস্তেদের গোলদাতার তালিকায় শীর্ষস্থান দখল করে নেওয়া ছয়বারের ব্যালন ডি’অর জয়ী করেছেন ১৩৯ ম্যাচে ৭১ গোল, যার সর্বশেষটি ইকুয়েডরের বিপক্ষে এবারের বিশ্বকাপ বাছাইয়ে।
গোলের নতুন রেকর্ড গড়া সেই মেসিই কিনা বলছেন, এখন আর গোল নিয়ে ভাবেন না তিনি। ফুটবলবিষয়ক এক ম্যাগাজিনে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বার্সেলোনা অধিনায়ক বলেছেন, ‘এখন আর আমি গোল করা নিয়ে তেমন একটা ভাবি না। সবসময় চেষ্টা করি দলে যতটা সম্ভব অবদান রাখার। আমার কাছে দলের প্রয়োজনই সবার আগে।’
করোনাভাইরাস গ্রাস করে রেখেছে গোটা বিশ্বকে। ফুটবলেও পড়েছে বিশাল প্রভাব। মেসি আগেই জানিয়েছিলেন, জীবনে কখনও এমন মুহূর্ত আসেনি তার। কঠিন এই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি। ১ মিলিয়ন ইউরো দান করেছেন বার্সেলোনা ও আর্জেন্টিনার হাসপাতালে। মেসির মতে, মহামারীর সময় মানুষের পানি, খাবার ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি।
এই জায়গায় জন্মভূমি আর্জেন্টিনার প্রশংসা ঝরেছে তার কণ্ঠে, ‘এটা সত্যি আমাকে গর্বিত করে যখন দেখি আর্জেন্টিনায় মানুষজন কতটা সংশ্লিষ্ট এবং সবাই অবদান রাখছে, খাবারের ব্যবস্থা নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে কাজ করে যাচ্ছে। যখন কিনা আমরা মহামারীতে কঠিন সময় পার করছি।’