টিউমার অপসারণের পর থেকে হাসপাতালেই ছিলেন পেলে। ব্রাজিল কিংবদন্তি বাড়ি ফেরার অনুমতি পেয়েছেন অবশেষে।
বৃহদান্ত্রের টিউমার অপসারণ করতে গত ৪ সেপ্টেম্বর অস্ত্রোপচার করাতে হয় পেলের। ৮০ বছর বয়সী এরপর থেকে সাও পাউলোর অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুরুতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে ১০ দিন থাকার পর সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয়েছিল তাকে। কিন্তু পরে আবারও সেখানে নেওয়া হয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার কথা ভেবে।
বাড়ি পৌঁছে তিনবারের বিশ্বকাপ জয়ী তারকা ফেসবুকে বলেছেন, ‘বাড়িতে ফিরে এসে অনেক আনন্দিত আমি।’ এই সময় চিকিৎসকদেরও ধন্যবাদ জানান, ‘অ্যালবার্ট আইনস্টাইন হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ দলটিকে ধন্যবাদ। আমার থাকার সময়টা তারা আনন্দদায়ক করে রেখেছিল মানবিক ও স্নেহপূর্ণ ভালোবাসায়। যারা দূর থেকে ভালোবাসার বার্তা পাঠিয়ে আমার জীবনটা পরিপূর্ণ করেছেন, তাদেরও অনেক ধন্যবাদ।’
বাড়ি ফিরলেও পেলের চিকিৎসা সেবা চলমান থাকবে। মেডিক্যাল টিম বলেছে, তাকে কেমোথেরাপির মধ্যে থাকতে হবে।
প্রসঙ্গত, টিউমার জটিলতা নিয়ে গত ৩১ আগস্ট থেকে পেলে হাসপাতালে ছিলেন। রুটিন চেকআপের সময়ই ধরা পড়ে তার বৃহদান্ত্রে টিউমার। ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি সাম্প্রতিক সময়ে নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছেন। ২০১৫ সালে প্রোস্টেট সার্জারি করাতে হয়েছে। এরপর ২০১৯ সালে মূত্রনালির সংক্রমণেও ভর্তি হতে হয় হাসপাতালে।