জেমি ডের সময় রক্ষণ অটুট রেখে খেলার চেষ্টা করতো বাংলাদেশ। এবার স্প্যানিশ কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনেও দেখা যাচ্ছে একই চিত্র। রক্ষণ সামলে দ্রুত প্রতি-আক্রমণে উঠে যদি গোল করা যায়। ঠিক এমন প্রত্যাশা নিয়ে শনিবার এশিয়ান কাপ বাছাই পর্বের দ্বিতীয় ম্যাচে বিকাল সোয়া ৩টায় তুর্কমেনিস্তানের বিপক্ষে খেলতে নামছে লাল-সবুজ দল।
কাবরেরা গত দুই দিন ঠিক এভাবেই দল সাজিয়েছেন। ৪-১-৪-১ ছকে প্রতি-আক্রমণের সময় যাতে প্রতিপক্ষকে ভড়কে দেওয়া যায়। তাতে অনেক সময় গোলও আসতে পারে। যদিও বাহরাইন ম্যাচে রক্ষণভাগ ভালো করার পরেও নিজেদের ভুলে হার দেখতে হয়েছে। গোল হজম করেছে সেটপিস থেকে। কুয়ালালামপুরের বুকিত জলিল ন্যাশনাল স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ চাইছে এই জায়গাটিতে আরও সতর্ক হতে।
তবে বাংলাদেশের কাছে তুর্কমেনিস্তান বলতে গেলে একেবারে ‘অচেনা প্রতিপক্ষ’। নিকট-অতীতে তেমন খেলার রেকর্ড হাতড়ে পাওয়া গেলো না। শুধু ২০০২ সালে এশিয়ান গেমসে ৩-১ গোলে হারের একটি ম্যাচ আছে।
গ্রুপেও বাহরাইনের পর তুর্কমেনিস্তানের অবস্থান। কিন্তু র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকা স্বাগতিক মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৩-১ গোলে হারটি সবার চোখে পড়েছে। সেই ম্যাচ দেখেছেন বাংলাদেশ কোচ ও খেলোয়াড়রাও। জয়ের প্রেরণাও মিলছে সেখান থেকে। তাই শারীরিক দিক দিয়ে এগিয়ে থাকা প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আটঘাট বেঁধেই মাঠে নামার লক্ষ্য।
আবার একদিক দিয়ে এগিয়েও থাকছে জামাল-জিকোরা। তুর্কমেনিস্তান গত এক বছরে মাত্র একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছে। মালয়েশিয়া আসার আগে সেই ম্যাচটায় থাইল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়েছিল। আর বাংলাদেশ খেলেছে ১৯টি ম্যাচ। তাতে বোঝাই যাচ্ছে, জামাল-জিকোরা তুলনায় নিয়মিত খেলার মধ্যে ছিল। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নভুক্ত দেশটির বিপক্ষে তাই আত্মবিশ্বাসী হয়ে মাঠে নামবে জামাল ভূঁইয়ারা।
যেহেতু দুই দলই প্রথম ম্যাচ হেরেছে, ফলে বাছাইয়ে টিকে থাকতে হলে উভয় দলের তিন পয়েন্ট জরুরি। এখন র্যাঙ্কিংয়ে ৫৪ ধাপ এগিয়ে থাকা দলটির বিপক্ষে সাজ্জাদ-ইব্রাহিম-রাকিবদের বাড়তি দায়িত্ব পালন করতে হবে। তাহলে কিছু একটা হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।