‘প্রধানমন্ত্রীর এই পুরস্কার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিলো’

খেলাধুলার প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভালোবাসা অন্যরকম। তিনি খেলোয়াড়দের নানাভাবে উৎসাহ দিয়ে থাকেন। এই যেমন আজ (রবিবার) জামাল-মারিয়াদের ডেকে সংবর্ধনার পাশাপাশি আর্থিক পুরস্কার দিলেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে এমন সংবর্ধনা পেয়ে উচ্ছ্বসিত তপু বর্মণ-মাহবুবুর রহমান সুফিলরা।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে দেশের কৃতি ক্রীড়াবিদ, সংগঠক ও ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সংবর্ধনা ও আর্থিক সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। ২০২০ সালে ঢাকায় নেপালকে হারিয়ে ফুটবলে সিরিজ জিতেছিল জামাল ভূঁইয়ারা। সেই দলের অন্যতম সদস্য সুফিল। নেপালের বিপক্ষে গোলও আছে তার।

প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পাওয়া পুরস্কার সামনের দিকে অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে বিশ্বাস এই উইঙ্গারের। বাংলা ট্রিবিউনকে সুফিল বলেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর খেলার প্রতি আগ্রহ অন্যরকম। খেলাধুলার প্রতি অনেক টান উনার। উনি নানাভাবে আমাদের উৎসাহ দিয়েছেন। অনুপ্রেরণা জোগালেন। আমাদের সামনের দিকে পথ চলতে আরও সুবিধা হলো। একই সঙ্গে এই পুরস্কার দায়িত্ব বাড়িয়ে দিলো। এখন সামনের দিকে আমাদের আরও ভালো কিছু করে দেখাতে হবে।’

বাংলাদেশে দলের অন্যতম রক্ষণস্তম্ভ তপু বর্মণ। সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার পেয়ে খুশি এই ডিফেন্ডার, ‘ইনজুরির পর খেলোয়াড়দের খুব কঠিন সময় যায়। আজ প্রধানমন্ত্রীকে কাছ থেকে দেখলাম এবং ফুটবলের জন্য সংবর্ধনা পেলাম। এটা আমাকে মানসিকভাবে দারুণ উদ্দীপ্ত করছে।’

প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা ও পুরস্কার পাওয়া জাতীয় দলের ফুটবলাররানারী ও পুরুষ ফুটবল দলের পাশাপাশি ফিজিক্যাল চ্যালেঞ্জড দলও প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা ও আর্থিক পুরস্কার পেয়েছে। খেলোয়াড়রা ৫ লাখ ও কর্মকর্তারা ২ লাখ টাকা করে পেয়েছেন।

গত বছর সাফ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী ফুটবলে ভারতকে হারিয়ে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। সেই দলের কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন বলেছেন, ‘আমাদের মেয়েরা ভালো ফল করে আসছে। তারা এই সংবর্ধনা পেয়ে আরও উজ্জীবিত। সামনে আরও ভালো ফল হবে বলে আমার বিশ্বাস।’