জেমি ডের জায়গায় হাভিয়ের কাবরেরা এসে সেভাবে সাফল্যের মুখ দেখতে পাচ্ছেন না। এই বছরে তার অধীনে দুটি ম্যাচ খেলেছে বাংলাদেশ। সেশেলসের বিপক্ষে জয়ের পর হারও দেখতে হয়েছে। সামনে রয়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জ। ২১ জুন থেকে ৩ জুলাই সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ হবে ভারতের বেঙ্গালুরুতে। এছাড়া বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব ছাড়াও অন্য খেলা তো রয়েছেই। তবে ৩৭ বছর বয়সী কোচ সাফ ফুটবলকে ঘিরে আশাবাদী।
সোমবার জাতীয় টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন কাবরেরা। সেই সভা শেষ করে বাংলাদেশের স্প্যানিশ কোচ বলেছেন, ‘জাতীয় টিমস কমিটি ও সভাপতির সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বছরের বাকি পরিকল্পনা নিয়ে কথা হয়েছে। তবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের দিকে বেশি দৃষ্টি দিচ্ছি। যা এই মুহূর্তে বড় প্রাধান্য। পাশাপাশি বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব রয়েছে।’
সাফ ফুটবলকে ঘিরে প্রত্যাশার কথা শুনিয়েছেন কাবরেরা, ‘যদি আমরা বাইরে গিয়ে অনুশীলন করতে পারি তাহলে ভালো হবে। আমরা আশাবাদী। সাফ অগ্রাধিকারের মধ্যে আছে। সাফ নিয়ে এই দেশের সবার আগ্রহ রয়েছে। আমাদের সুযোগ রয়েছে সেখানে ভালো করার। আমরা আশাবাদী। আমরা খেলার জন্য উদগ্রীব। উজ্জীবিত হয়ে দল খেলবে।’
সিলেটে ফিফা প্রীতি ম্যাচে জামাল ভূঁইয়ারা সেশেলসের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে জিতলেও পরেরটিতে হেরেছে। এ নিয়ে চারদিকে আলোচনা-সমালোচনা কম হচ্ছে না। কাবরেরার ভাষ্য, ‘সেশেলসের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে আমাদের হারা উচিত হয়নি। এনিয়ে সবাই হতাশ। সৌদি আরবের আমাদের ভালো প্রস্তুতি হয়েছিল। দুটি ম্যাচ খেলেছিলাম। ভালো পারফরম্যান্স দেখিয়েছে দল। এরপর সেশেলসের বিপক্ষে একটা ম্যাচও জিতেছি।’
সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের আগে দুটি প্রীতি ম্যাচ খেলার সুযোগ রয়েছে। কাবরেরা সেই সুযোগটি কাজে লাগাতে চাইছেন, ‘সাফের আগে ফিফা উইন্ডো আছে, ১২ থেকে ২০ জুন। যদি এর মধ্যে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে পারি তা হবে ভালো দিক। তবে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। সাফের প্রথম ম্যাচ থেকে ভালো অবস্থানে থেকে যেন খেলা শুরু করতে পারি। আমি ২৫ থেকে ২৬ দিনের ক্যাম্পের কথা বলছি।’