দুই ব্রাজিলিয়ানের প্রশংসা করলেন আনচেলত্তি

রিয়াল মাদ্রিদের ঘরে ৯ বছর পর গেলো কোপা দেল রে ট্রফি। শনিবারের ফাইনালে ওসাসুনার বিপক্ষে ২-১ গোলে জিতেছে তারা। ভিনিসিউস জুনিয়রের নৈপুণ্যে রদ্রিগোর জোড়া গোলে জিতে চ্যাম্পিয়ন হলো রিয়াল। ম্যাচ শেষে এই দুই ব্রাজিলিয়ানকে প্রশংসায় ভাসালেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।

ভিনিসিউসকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ ও রদ্রিগোকে ‘দর্শনীয়’ বললেন ইতালিয়ান কোচ। দ্বিতীয় মিনিটে ভিনিসিউসের অ্যাসিস্টে রদ্রিগো গোলমুখ খোলেন। দ্বিতীয়ার্ধে ওসাসুনা সমতা ফেরানোর পর আরেকবার দুজনের নৈপুণ্যে লিড নেয় মাদ্রিদ ক্লাব। চলতি মেয়াদে রিয়ালে যোগ দিয়ে একমাত্র অধরা ট্রফি জিতে আনচেলত্তি বললেন, ‘৩০ মিনিট আমরা ভালো খেলেছি, ভিনিসিউস ছিল অপ্রতিরোধ্য। তারপর আমরা স্নায়ু হারিয়ে ফেলেছিলাম। দল শান্ত ছিল না, আমি তাদের কিছুটা শান্ত করেছি (হাফ টাইমে)।

বিরতির আগে ওসাসুনার খেলোয়াড় ও রেফারির সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কারণে হলুদ কার্ড দেখেন ভিনিসিউস। টিভি ক্যামেরায় টানেলে ওসাসুনা ফরোয়ার্ড চিমি আভিলার সঙ্গেও ক্ষুব্ধ আচরণ করতে দেখা যায় তাকে।

আনচেলত্তি বললেন, ‘এই দলকে একটা কাজই করতে হবে, ফুটবল খেলা, যেটা আমরা ভালো পারি। অন্য কিছু করতে গেলে নিয়ন্ত্রণ ও মনোযোগ হারাই। আমাদের ফুটবল খেলতে হবে। দ্বিতীয়ার্ধ ভালো শুরু হয়নি, তারা সমতা ফেরায়। ভাগ্য  ভালো যে রদ্রিগো গতি পাল্টে দিলো।’

রদ্রিগোকে নিয়ে রিয়াল কোচের মূল্যায়ন, ‘রদ্রিগোকে নিয়ে কিছু বলা কঠিন। সে খুব মার্জিত খেলোয়াড়, সে গোল করতে পারে, দর্শনীয়ভাবে সে উন্নতি করছে।’

মাদ্রিদের প্রেসিডেন্ট ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ ভিনিসিউসকে ‘তার পজিশনে বিশ্বসেরা’ বললেন, ‘তাকে থামানো কঠিন। তাকে মার্ক করে যারা খেলে, তাদের ফাউল করতে হয় অনেক। সে অভিযোগ করে, কার্ড দেখে কিন্তু আমি বুঝি না সেটা। যারা ভালো খেলে তাদের আমাদের রক্ষা করতে হবে।’

রদ্রিগো এই ম্যাচের দুটি গোলকে তার ক্যারিয়ারের সেরা বলতে নারাজ, ‘ম্যানসিটির (গত মৌসুম) বিপক্ষে (চ্যাম্পিয়নস লিগ) সেমিফাইনাল ছিল খুবই বিশেষ। এই ম্যাচকে সেরা তিনে রাখা যেতে পারে, কিন্তু সিটি ম্যাচের সঙ্গে কোনও কিছু তুলনা করা যায় না। কোপা দেল রে ও চ্যাম্পিয়নস লিগ, এই প্রতিযোগিতাগুলোতে আমার সঙ্গে কী হয় জানি না। এখানে যারা আছে, লুকা মদরিচ ও টনি ক্রুস, যারা সবসময় আরও জিততে চায়, তাদের অনুসরণ করতে হবে আমাকে। মঙ্গলবার (চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনাল) আমাদের এই মৌসুমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলা।’