ময়মনসিংহ স্টেডিয়ামে আজ শুক্রবার মোহামেডানকে হারাতেই পারলেই রেলিগেশন এড়াতে পারতো রহমতগঞ্জ। জেতার মতো অবস্থায় চলে গিয়েছিল পুরানো ঢাকার দলটি। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে ৩-২ গোলে এগিয়ে থেকে শেষ পর্যন্ত ড্র করতে হয়েছে। প্রিমিয়ার লিগে ফিরতি পর্বে মোহামেডান সুলেমানে দিয়াবাতের শেষ লক্ষ্যভেদে ম্যাচ ৩-৩ গোলে ড্র করে হার এড়িয়েছে।
ম্যাচ শুরুর ৫ মিনিটে মোহামেডান এগিয়ে যায়। জাফর ইকবাল সাদা-কালোদের এগিয়ে নেন। ২১ মিনিটে মালির দিয়াবাতে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। ইমানুয়েল সানডের অ্যাসিস্টে তিনি লক্ষ্যভেদ করেন। দুই গোলে পিছিয়ে থেকে রহমতগঞ্জ ম্যাচে ফেরার পথ খুঁজছিল। ৬৫ মিনিট পর্যন্ত তাদের দাপট দেখা গেছে।
এই সময়ে তিন গোল করে মোহামেডানকে ভয় ধরিয়ে দিয়েছিল রহমতগঞ্জ। ৩৪ মিনিটে বোয়েটাং ব্যবধান কমান ২-১। ৪২ মিনিটে ঘানার আক্রমণভাগের খেলোয়াড় কনি ২-২ এ সমতা আনলে তাদের শিবিরে স্বস্তি ফেরে।
বিরতির পরও রহমতগঞ্জের দাপট দেখা যায়। ৬৫ মিনিটে বোয়েটাংয়ের পাসে কনি এবার লক্ষ্যভেদ করে দলকে ৩-২ এ এগিয়ে নেয়। তবে মোহামেডান তখনও হাল ছাড়েনি। যোগ করা সময়ের একদম শেষ দিকে এসে দিয়াবাতে গোল করে দলের হার এড়ান।
দিনের অন্য ম্যাচে কিংস অ্যারেনাতে শেখ রাসেল ১-১ গোলে ড্র করেছে চট্টগ্রাম আবাহনীর সঙ্গে।
মোহামেডান ১৬ ম্যাচে অষ্টম ড্রয়ে আবাহনীর সমান ২৯ পয়েন্ট নিয়েও দ্বিতীয় স্থানে আছে। গোলব্যবধানে এগিয়ে থাকায় তারা দুইয়ে, আর তিনে আবাহনী। সমান ম্যাচে রহমতগঞ্জ ১২ পয়েন্ট পেয়েছে। এতে করে ব্রাদার্সও বেঁচে গেলো। কেননা রহমতগঞ্জ জিতলেই গোপবাগের দলটির অবনমন নিশ্চিত ছিল। এখন শেষ দুই ম্যাচে নির্ধারণ হবে সেই জায়গা।
এছাড়া রাসেল ১৬ ম্যাচে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম আর ১৯ পয়েন্ট নিয়ে পঞ্চম স্থানে বন্দরনগরীর দলটি।