মরক্কো ম্যাচের ঘটনাকে ‘সার্কাস’ বললেন আর্জেন্টিনা কোচ

ব্যাপারটা নজিরবিহীন। অলিম্পিক ফুটবলে মরক্কোর কাছে আর্জেন্টিনার ২-১ গোলের হারটা ছিল অতিমাত্রায় নাটকীয়! কারণ দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ের ১৬ মিনিটে ক্রিস্তিয়ান মেদিনার গোল সমতায় ফিরিয়েছিল তাদের। তার পর অবশ্য দর্শকদের বিশৃঙ্খলায় স্থগিত হয়ে যায় ম্যাচ। নজিরবিহীন ঘটনা তার পরেই ঘটেছে। প্রায় দুই ঘণ্টা বিরতির পর দর্শকদের মাঠ ছাড়া করে মাত্র ৩ মিনিট ১৫ সেকেন্ডের জন্য মাঠে গড়িয়েছে খেলা। তার আগে ‘বিলম্বিত’ এক ভার রিভিউতে বাতিল হয়ে যায় মেদিনার করা সেই গোল। বলা হয় অফসাইডে ফাঁদে পড়েছিল আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ব্রুনো আমিনের পা! অবিশ্বাস্য সেই কাণ্ডের কথা ম্যাচের পর তুলে ধরেছেন আর্জেন্টিনা দলটির কোচ হাভিয়ের মাসচেরানো।

সেঁত এতিয়েনে জিওফ্রে গুইশার্ড স্টেডিয়ামে খেলা শুরুর আগে তাদের কী করতে হবে সেটাই নাকি জানা ছিল না আয়োজকদের! ম্যাচের পর মাসচেরানো বলেছেন, ‘আমি ব্যাখ্যা দিতে পারবো না যা হয়েছে আসলে। ড্রেসিং রুমে আমরা দেড় ঘণ্টার মতো কাটিয়েছি। যেখানে তারা আমাদের জানায়নি কী হতে যাচ্ছে।’

মাসচেরানো জানালেন, দর্শকদের বিশৃঙ্খল ঘটনার পর মরক্কো অধিনায়ক নিজেই খেলতে চাননি, ‘মরক্কো অধিনায়কই খেলতে চায়নি। আমরাও চাইনি খেলাটা আবার মাঠে গড়াক। কারণ দর্শকরা আমাদের দিকে বস্তু নিক্ষেপ করছিল। আমার দেখা জীবনের বড় সার্কাস ছিল এটি। আমার জানা নেই তারা কেন রিভিউ করার জন্য ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট সময় নিলো!’   

অফসাইড হলে তখন ম্যাচটা সেভাবেই চালিযে যাওয়া উচিত ছিল বলে মন্তব্য করেছেন মাসচেরানো। তাহলে মোমেন্টাম ধরে রাখা যেত, ‘মেদিনার গোলটা অফসাইড হলে ওই মোমেন্টাম ধরেই খেলাটা চলতে দেওয়া উচিত ছিল। আমার মনে হয় না দেড় ঘণ্টা পর ম্যাচটা খেলানো উচিত ছিল।’

অবশ্য পরে মাসচেরানো বলেছেন, তিনি নিজেকে এসব অভিযোগের মধ্যে জড়াতে চান না, ‘এসব অভিযোগ করে লাভ নেই। এমন কিছু হোক আমরা চাই না। এখন আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা। পরের পর্বে যেতে এখন পরের দুই ম্যাচে জয় প্রয়োজন।’

লিওঁতে শনিবার তাদের প্রতিপক্ষ ইরাক।