নেশন্স লিগে ইসরায়েলকে বিধ্বস্ত করেছে ফ্রান্স। তাদের ৪-১ গোলে হারিয়ে ফরাসিরা।
আন্তোয়ান গ্রিয়েজমানের অবসরের পর এটা ছিল ফ্রান্সের প্রথম ম্যাচ। অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পেও চোটের কারণে অনুপস্থিত। তার পরেও মাঠ কাঁপাতে সমস্যা হয়নি লে ব্লুদের। ষষ্ঠ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন এদুয়ার্দো কামাভিঙ্গা। ২৪ মিনিটে একটি গোল শোধ দেয় ইসরায়েল। গোল করেন ওস্কার গ্লোউখ। লাভ হয়নি যদিও। চার মিনিট বাদেই ফ্রান্সের ব্যবধান বাড়িয়ে দেন ক্রিস্টফার এনকুনকো। দুরূহ কোণ থেকে গোলটি করেন তিনি।
শেষ দিকে ৮৭ ও ৮৯ মিনিটে আরও দুটি গোল করে স্কোরলাইনে ভদ্রস্থ চেহারা নিয়ে আসে ফ্রান্স। গোল দুটি করেন মাত্তেও গুয়েনদোজি ও ব্র্যাডলি বারকোলা।
‘এ’ লিগের গ্রুপ ২-এর আরেক দল ইতালি অবশ্য শুরুতে দুই গোলে এগিয়ে গিয়েও পরে বেলজিয়ামের সঙ্গে ২-২ গোলের ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে। প্রথম মিনিটে অগ্রগামিতা পেয়েছিল ইতালি। কাম্বিয়াসোর শুরুর গোলের পর ২৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়িয়ে দিয়েছিলেন মাতেও রেতেগুই। ৩৯ মিনিটে ইতালির লরেঞ্জো পেলেগ্রিনি লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়লে পাল্টে যায় ম্যাচের চিত্র। ৪২ মিনিটে স্কোর ২-১ করেন বেলজিয়ামের ম্যাক্সিম ডি কুইপার। ৬১ মিনিটে স্কোর ২-২ করেন আর্সেনালের ট্রসার্ড।
এদিকে, অপ্রত্যাশিত হার দেখেছে ইংল্যান্ড। গ্রিসের কাছে ২-১ গোলে হেরেছে থ্রি লায়ন্স। অবশ্য হারের জন্য ভারপ্রাপ্ত কোচ লি কার্সলির অতিরিক্ত আক্রমণাত্মক কৌশলকেই দায়ী করা হচ্ছে।
নিয়মিত অধিনায়ক হ্যারি কেইন চোটে পড়ায় স্বীকৃত স্ট্রাইকার ছাড়াই দল সাজান কার্সলি। জুড বেলিংহ্যাম ও ফিল ফোডেনকে নামমাত্র স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানো হয়েছে। বুকায়ো সাকা ও অ্যান্থনি গর্ডন ছিল দুই প্রান্তে। আর কোল পালমার ছিলেন সেন্ট্রাল মিডফিল্ডে। ইংল্যান্ড তাতে অভ্যস্ত না থাকায় এই কৌশল মোটেও ফলদায়ী হয়নি। লক্ষ্যে পাঁচবার বল পাঠালেও তার ৩টি বাতিল হয়েছে অফসাইডে। ৪৯ মিনিটে শুরুর গোলটি করেন গ্রিসর পাভলিদিস। ৮৭ মিনিটে একটি গোল শোধ দেন বেলিংহ্যাম। কিন্তু শেষ দিকে যোগ হওয়া সময়ে ২-১ গোলের জয় নিশ্চিত করেন পাভলিদিস।
‘বি’ লিগে গ্রুপ দুইয়ে গ্রিস ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে। ইংল্যান্ডেরও সমান ২ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। কিন্তু গোল ব্যবধানে পিছিয়ে থাকায় তারা দুইয়ে অবস্থান করছে।