সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট দেবে বাফুফে 

কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন এয়ারপোর্ট থেকে বিমান বাহিনীর বিশেষ ফ্লাইটে করে বৃহস্পতিবার বিকালে ঢাকায় পৌঁছেছেন জামাল ভূঁইয়ারা। কুর্মিটোলায় এ কে খন্দকার ঘাঁটিতে বাংলাদেশ দলকে অভ্যর্থনা জানাতে অন্যদের সঙ্গে ছিলেন বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়ালও। খেলোয়াড়দের পাশে বাফুফে যে, আছে তা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। 

কাঠমান্ডুতে হোটেলে বন্দী থেকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত থাকতে পারেন জামাল-রাকিবরা। ফুটবলারদের ট্রমা কাটানোর বিষয়ে তাই বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল সেখানে বলেছেন, ‘আমাদের চিকিৎসার প্রক্রিয়া রয়েছে। সেখানে অবশ্যই আমরা মানসিক কোচিং, সাইকোলজিক্যাল সাপোর্ট দেবো যাদের প্রয়োজন হয়। যাদের লাগবে না তাদেরও আমরা অ্যাসেসমেন্ট করবো, কারণ অনেক সময় এ রকম পরিস্থিতিতে ফিজিক্যাল শক হয়। আমরা এই বিষয়ে সচেতন রয়েছি। পাশাপাশি বাংলাদেশ আর্মড ফোর্সের মেডিক্যাল টিমও চিকিৎসাজনিত কিছু প্রয়োজন হলে প্রস্তুত ছিল।’ 

কাঠমান্ডুর পরিস্থিতিতে বাফুফে ভালোভাবে দৃষ্টি রেখেছিল। বাফুফে কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দলের আবাসন নিয়ে দ্বিতীয় ও তৃতীয় পরিকল্পনা ভেবে রেখেছিল বলে তাবিথ জানান, ‘আমাদের টিম হোটেলের পাশে আগুন লেগেছিল। আমরা কিন্তু আগেই আমাদের টিমের জন্য দ্বিতীয় ও তৃতীয় লোকেশন ঠিক করে রেখেছিলাম।’

খেলোয়াড়, কোচিং স্টাফ ও কর্মকর্তা মিলিয়ে ৩৭ জন কাঠমান্ডুতে ছিলেন। নেপালে ফুটবল ম্যাচ কাভার করতে যাওয়া ১৭ জন সাংবাদিকও বাফুফে বিশেষ বিমানের তালিকায় রেখেছে। এ নিয়ে ফেডারেশন সভাপতি বলেন, ‘সবাই মিলে আমরা ফুটবল ও ক্রীড়া পরিবার। শুধু ২৩ জন ফুটবলার নন, মিডিয়াসহ সবাইকে নিয়েই আমরা ফুটবলাঙ্গন। যখন আমরা রেসকিউ মিশনের পরিকল্পনা করেছি, তখন কাঠমান্ডুতে থাকা মিডিয়ার ভাই-বোনদের নিয়েই কাজ করেছি।’ 

কাঠমান্ডু এয়ারপোর্ট সচল হওয়ার ২০ ঘণ্টার মধ্যেই বাংলাদেশ দল ও ক্রীড়া সাংবাদিকরা ঢাকায় পৌঁছানোয় সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বাফুফে সভাপতি, ‘প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, পররাষ্ট্র ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, বাংলাদেশ দূতাবাসসহ কাঠমান্ডুর সবাই আন্তরিকভাবে সহায়তা করেছে। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই বাংলাদেশ বিমানবাহিনী, আর্মি এবং আর্মড ফোর্সকে যারা সফলভাবে কাঠমান্ডু থেকে সবাইকে দেশে নিয়ে এসেছে।’