বিশ্বকাপ জিতে ৫ কোটি ডলার পেলো স্পেন, আর্জেন্টিনা কত পেলো?

আর্জেন্টিনাকে হারিয়ে বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ প্রাইজমানিও ঘরে তুলেছে স্পেন। চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা পেয়েছে ৫ কোটি (৫০ মিলিয়ন) মার্কিন ডলার। আর রানার্সআপ আর্জেন্টিনার প্রাপ্তি ৩ কোটি ৩০ লাখ (৩৩ মিলিয়ন) ডলার।

২০২২ বিশ্বকাপে ফ্রান্সকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া আর্জেন্টিনা পেয়েছিল ৪ কোটি ২০ লাখ (৪২ মিলিয়ন) ডলার। আর ২০১৮ বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী ফ্রান্সের প্রাপ্তি ছিল ৩ কোটি ৮০ লাখ (৩৮ মিলিয়ন) ডলার।

ফিফা গত ডিসেম্বরেই জানিয়েছিল, ৪৮ দলের অংশগ্রহণে আয়োজিত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিশ্বকাপে থাকছে সর্বোচ্চ প্রাইজমানি। এবার মোট ৬৫ কোটি ৫০ লাখ (৬৫৫ মিলিয়ন) ডলার ভাগ করে নেবে অংশ নেওয়া ৪৮টি দল। টুর্নামেন্টে দলগুলোর অগ্রগতির ভিত্তিতে ৯ মিলিয়ন থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার পর্যন্ত প্রাইজমানি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ফ্রান্সকে ৬-৪ গোলে হারিয়ে ইংল্যান্ড পেয়েছে ২ কোটি ৯০ লাখ (২৯ মিলিয়ন) ডলার। চতুর্থ হওয়া ফ্রান্সের প্রাপ্তি ২ কোটি ৭০ লাখ (২৭ মিলিয়ন) ডলার।

রাউন্ড অব ১৬-তে পৌঁছে যুক্তরাষ্ট্র পেয়েছে ১ কোটি ৬০ লাখ (১৬ মিলিয়ন) ডলার। ২০২২ সালে ইউএস সকার, পুরুষ ও নারী দলের মধ্যে হওয়া সমষ্টিগত চুক্তি অনুযায়ী, এই অর্থ পুরুষ ও নারী দলের মধ্যে ভাগ করা হবে।

চুক্তি অনুযায়ী, বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে মোট প্রাইজমানির ৮০ শতাংশ সমানভাবে ভাগ হবে (প্রতি খেলোয়াড় পাবেন ২ লাখ ৪৬ হাজার ১৫৩ দশমিক ৮৫ ডলার)। বাকি ২০ শতাংশ যাবে যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল সংস্থার তহবিলে। তবে নারী দলকে ২০২৭ নারী বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করতে হবে।

২০২৬ বিশ্বকাপের প্রাইজমানি

চ্যাম্পিয়ন: ৫০ মিলিয়ন ডলার — স্পেন
রানার্সআপ: ৩৩ মিলিয়ন ডলার — আর্জেন্টিনা
তৃতীয় স্থান: ২৯ মিলিয়ন ডলার — ইংল্যান্ড
চতুর্থ স্থান: ২৭ মিলিয়ন ডলার — ফ্রান্স
৫ম-৮ম স্থান: ১৯ মিলিয়ন ডলার — নরওয়ে, বেলজিয়াম, মরক্কো, সুইজারল্যান্ড
৯ম-১৬তম স্থান: ১৫ মিলিয়ন ডলার — মেক্সিকো, কলম্বিয়া, ব্রাজিল, যুক্তরাষ্ট্র, পর্তুগাল, কানাডা, মিসর, প্যারাগুয়ে
১৭তম-৩২তম স্থান: ১১ মিলিয়ন ডলার — নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, আইভরি কোস্ট, ক্রোয়েশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া, ডিআর কঙ্গো, ঘানা, ইকুয়েডর, দক্ষিণ আফ্রিকা, সুইডেন, বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা, আলজেরিয়া, সেনেগাল ও কেপ ভার্দে
৩৩তম-৪৮তম স্থান: ৯ মিলিয়ন ডলার — ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, তুরস্ক, স্কটল্যান্ড, উরুগুয়ে, সৌদি আরব, চেকিয়া, নিউজিল্যান্ড, কাতার, কুরাসাও, পানামা, জর্ডান, হাইতি, উজবেকিস্তান, তিউনিসিয়া ও ইরাক

এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরুর আগে প্রস্তুতি ব্যয় হিসেবে অংশ নেওয়া প্রতিটি দল অতিরিক্ত ১৫ লাখ (১.৫ মিলিয়ন) ডলার পেয়েছে।