ফাইনালে ধাক্কাধাক্কির পরও আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়ের শাস্তি চান না গাভি!

বিশ্বকাপের ফাইনাল শেষ হলেও সেই ম্যাচের উত্তেজনার রেশ এখনও রয়ে গেছে। শিরোপা নির্ধারণী লড়াই শেষে স্পেন ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে ঘটে যাওয়া ধাক্কাধাক্কি ও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় নিয়ে এখনও চলছে আলোচনা। তবে সেই ঘটনার কেন্দ্রে থাকা স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভি বড় মনের পরিচয় দিয়েছেন। তাকে মাটিতে ফেলে দেওয়ার পরও আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পেরেদেসের কঠোর শাস্তি চান না বার্সেলোনা তারকা।

আরও পড়ুন: ফুটবলের মহারণে আর্জেন্টিনার নামের পাশে কেন বারবার বিতর্ক?

ঘটনাটা ছিল নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর পর! আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পেরেদেস প্রথমে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন গাভি। কিন্তু সেই সময় পেরেদেসের ধাক্কার শিকার হন স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। কিন্তু এই ঘটনার পরও পেরেদেসের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার দাবি তোলেননি গাভি। স্প্যানিশ গণমাধ্যম এল পার্তিদাজো দে কোপেকে বলেছেন, ‘না, সত্যি বলতে আমি মনে করি না পেরেদেসকে নিষিদ্ধ করা উচিত। অবশ্যই এটা শিশুদের জন্য ভালো উদাহরণ নয়, কিন্তু ফুটবলের একটি শারীরিক ও আক্রমণাত্মক দিকও আছে। আমার মনে হয় ম্যাচ চলাকালীন তাকে লাল কার্ড দেখানোই যথেষ্ট হতো।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘দিনের শেষে এটা ফুটবল, আর আমি মনে করি খেলাটা এমনই থাকা উচিত।’

গাভি শাস্তির বিরোধিতা করলেও ফিফা ইতোমধ্যেই ফাইনালের পরের ঘটনাগুলোর ভিডিও পর্যালোচনা করছে। সংস্থাটি চাইলে পেরেদেসসহ আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলারের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করতে পারে।

ফিফার শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী, কনুই মারা, ঘুষি, লাথি, কামড়, থুতু নিক্ষেপ বা প্রতিপক্ষকে আঘাত করার মতো অপরাধের জন্য ন্যূনতম তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা হতে পারে। প্রয়োজনে ডিসিপ্লিনারি কমিটি আরও কঠোর শাস্তিও দিতে পারে।